শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে

তারুণ্যের বুকে জোয়ার এনেছিলেন মাওলানা আতাউর রহমান খান রহ. : মুুহিব খান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : গত শতাব্দীর উল্লেখযোগ্য দার্শনিক আলেম আতাউর রহমান খান রহ.। তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। লেখালেখি থেকে হাদিসের মসনদ, মসজিদের মেম্বার থেকে জাতীয় সংসদ সর্বত্র ছিলো তার সরব পদচারণা।

তিনি ছিলেন একজন চিন্তাশীল আলেম। দূরদর্শী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। গত ৩১ জুলাই ছিলো তার ৯ম মৃত্যু বার্ষিকী। মৃত্যু বার্ষিকীতে তার ছোট ছেলে কবি মুহিব্বুর রহমান খান আবেগঘণ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

তিলি লেখেন, ‘সেই আশির দশকের গোড়া থেকেই পশ্চিমাজগত ও আরবজাহানসহ সারাবিশ্বের ভূ- রাজনৈতিক বিবর্তনের সম্ভাব্য ও সুস্পষ্ট বিশ্লেষণ পেশ করেন মাওলানা আতাউর রহমান খান রহ.। তিনি তার প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা থেকে বলেছিলেন, ‘আগামী শতাব্দী হবে ইসলামের বিজয়ের শতাব্দী।’

তার এ উক্তি তারুণ্যের বুকে জোয়ার  এনেছিলো। তৌহিদি জনতার মুখে মুখে ফিরতো তার ঐতিহাসিক এ উক্তি। বলিষ্ঠ হরফে লেখা থাকতো দেয়ালে দেয়ালে।

মনে পড়ে, তিনি মৃত্যু সম্পর্কে সবসময় একটি উর্দূ কবিতা পাঠ করতেন- 'মওত কো সামঝা হ্যায় গাফেল ইখতেতামে জিন্দেগি, ইয়ে শামে জিন্দেগি হ্যায়, সুবহে দাওয়ামে জিন্দেগি’

অর্থাৎ গাফেল মানুষেরা মৃত্যুকেই জীবনের সমাপ্তি মনে করে, আসলে মৃত্যু হলো ইহ-জীবনের সন্ধ্যা আর অনন্ত জীবনের ভোর।'

খতিবে মিল্লাত, হযরতুল আল্লাম মাওলানা আতাউর রহমান খান রহ.। আল্লাহ তাঁকে পরম শান্তিতে রাখুন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ