বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত একবাক্স নীতি বহাল রাখতে আলোচনা চলমান: গাজী আতাউর রহমান

রোহিঙ্গা হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগ থেকে বার্মিজ সেনাবাহিনীর দায়মুক্তি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রোহিঙ্গা হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগ থেকে বার্মিজ সেনাবাহিনীর দায়মুক্তি দিয়েছে সেদেশের সেনাবাহিনী।

বার্মিজ সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে হত্যা, ধর্ষণ বা নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে তারা নিজস্ব তদন্ত পরিচালনা করেছে এবং রোহিঙ্গা জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর গুরুতর নির্যাতনের যে অভিযোগ উঠেছিল তা সব হয় মিথ্যা না-হয় ভ্রান্ত।

গত বছর রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তাদের অনেকেই বার্মিজ সেনাদের হাতে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের তদন্তের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করলো সু চি

মিয়ানমার থেকে বিবিসির সংবাদদাতা জোনাহ ফিশার জানান, জাতিসংঘ বাংলাদেশে পালিয়ে আসা শত শত রোহিঙ্গা নাগরিকের বক্তব্য শোনার পর বার্মার সেনাবাহিনী গত ফেব্রুয়ারি মাসে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। বার্মিজ সেনাদের দ্বারা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের নারীদের ব্যাপকহারে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর জাতিসংঘের কর্মকর্তারা একে 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' হিসেবে অভিহিত করেন। যদিও বার্মার সেনাবাহিনীর তদন্তকারী দল বাংলাদেশে যায়নি কিন্তু তারা বলছে, প্রায় ৩০০০হাজার গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলেছে তারা।

রোহিঙ্গাদের অবস্থা দুর্বিষহ : জাতিসংঘ

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের করা ধর্ষণ এবং হত্যার সবধরনের অভিযোগ ছিল অসত্য। সেইসঙ্গে তারা উল্লেখ করেছে, কেবলমাত্র দুটো ঘটনার ক্ষেত্রে সেনারা অসদাচরণ করেছে।

তবে সেসময় রাখাইন রাজ্যের আগুনে পুড়ে যাওয়া গ্রাম ও মানুষের মৃতদেহের যে ভয়াল ছবি এবং নারীদের বয়ানে যে চিত্র উঠে এসেছে, তার প্রেক্ষিতে এই তদন্ত দলের পর্যবেক্ষণ মেলানো বেশ কঠিন। ঘটনার বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত দল পাঠানোর প্রচেষ্টাও মিয়ানমারের নেত্রী অং সাং সুচির বাধার কারণে আটকে গেছে বলে মনে করা হয়। বিবিসি।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ