সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আত্মগোপনে গ্রামের অধিকাংশ পুরুষ ১ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, নারীই ৮০ হাজার ২৮ আওয়ামী লীগের নেতার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ ১৩ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন বেনজীরকে দেশে পাঠাতে বাংলাদেশকে আমিরাতের চিঠি অনশনরত ইবতেদায়ি শিক্ষকদের সঙ্গে সংলাপে বসুন: ইসলামী আন্দোলন সীরাতকেন্দ্রের আলাপন পর্ব-২ মঙ্গলবার, বিষয় হিজরি সন উত্তর প্রদেশে ঐতিহাসিক মসজিদের মালিকানা দাবি পুলিশ ও ওয়াকফ বোর্ডের কাবার গিলাফের প্রধান ক্যালিগ্রাফার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুখতার

রোহিঙ্গা হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগ থেকে বার্মিজ সেনাবাহিনীর দায়মুক্তি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রোহিঙ্গা হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগ থেকে বার্মিজ সেনাবাহিনীর দায়মুক্তি দিয়েছে সেদেশের সেনাবাহিনী।

বার্মিজ সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে হত্যা, ধর্ষণ বা নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে তারা নিজস্ব তদন্ত পরিচালনা করেছে এবং রোহিঙ্গা জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর গুরুতর নির্যাতনের যে অভিযোগ উঠেছিল তা সব হয় মিথ্যা না-হয় ভ্রান্ত।

গত বছর রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তাদের অনেকেই বার্মিজ সেনাদের হাতে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের তদন্তের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করলো সু চি

মিয়ানমার থেকে বিবিসির সংবাদদাতা জোনাহ ফিশার জানান, জাতিসংঘ বাংলাদেশে পালিয়ে আসা শত শত রোহিঙ্গা নাগরিকের বক্তব্য শোনার পর বার্মার সেনাবাহিনী গত ফেব্রুয়ারি মাসে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। বার্মিজ সেনাদের দ্বারা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের নারীদের ব্যাপকহারে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর জাতিসংঘের কর্মকর্তারা একে 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' হিসেবে অভিহিত করেন। যদিও বার্মার সেনাবাহিনীর তদন্তকারী দল বাংলাদেশে যায়নি কিন্তু তারা বলছে, প্রায় ৩০০০হাজার গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলেছে তারা।

রোহিঙ্গাদের অবস্থা দুর্বিষহ : জাতিসংঘ

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের করা ধর্ষণ এবং হত্যার সবধরনের অভিযোগ ছিল অসত্য। সেইসঙ্গে তারা উল্লেখ করেছে, কেবলমাত্র দুটো ঘটনার ক্ষেত্রে সেনারা অসদাচরণ করেছে।

তবে সেসময় রাখাইন রাজ্যের আগুনে পুড়ে যাওয়া গ্রাম ও মানুষের মৃতদেহের যে ভয়াল ছবি এবং নারীদের বয়ানে যে চিত্র উঠে এসেছে, তার প্রেক্ষিতে এই তদন্ত দলের পর্যবেক্ষণ মেলানো বেশ কঠিন। ঘটনার বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত দল পাঠানোর প্রচেষ্টাও মিয়ানমারের নেত্রী অং সাং সুচির বাধার কারণে আটকে গেছে বলে মনে করা হয়। বিবিসি।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ