শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা পাকিস্তানে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধিদল তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত, সপ্তাহের মাঝামাঝি বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে স্বস্তি আসবে বাজারে: বাণিজ্যমন্ত্রী গুজব ও যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন: কাবার ইমাম

হ্যাপি থেকে আমাতুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ আল ফারুক : নাজনীন আক্তার হ্যাপি। এই তো কিছু দিন আগেও তিনি ছিলেন সময়ের জনপ্রিয় নায়িকা। অর্থ, গ্ল্যামার, জনপ্রিয়তা, শোবিজ জগতে অবস্থান- সবই ছিলো তাঁর। কিন্তু সে-সব ছেড়ে এখন তিনি আপদমস্তক পর্দাবৃত দ্বীনদার মুসলিম নারী। সিনেমার কৃত্রিম নিয়ন আলোর জগত ছেড়ে চলে এসেছেন হিদায়াতের আলোকিত ভুবনে। পড়াশুনা করছেন মাদরাসায়। যাচ্ছেন দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনতে। নিজে যেমন দ্বীনের ওপর উঠে এসেছেন, তেমনই অন্যকেও দ্বীনের পথে ডেকে যাচ্ছেন নিরন্তর। এমনকি এতোদিনের সুপরিচিত নাম ‘হ্যাপি’ ছেড়ে এখন তিনি নিজের পরিচয় দিচ্ছেন ‘আমাতুল্লাহ’।

কীভাবে হলো এতো বড় পরিবর্তন?
তাঁর জীবনে আলোর এমন উদ্ভাসিত ঝলক কোত্থেকে এলো?
কীভাবে তিনি ‘হ্যাপি’ থেকে ‘আমাতুল্লাহ’ হলেন?
সেলুলয়েডের তীব্র আকর্ষণ উপেক্ষা করে কীভাবে তিনি চলে এলেন মাদরাসার অন্দরমহলে?

তাঁর হিদায়াতের পথে উঠে আসার পথ কি ফুলের মতো কোমল ছিলো?
না-কি তাকে মাড়াতে হয়েছে অবর্ণনীয় কষ্ট, উপেক্ষা ও নির্যাতনের কণ্টকাকীর্ণ পথ।
জীবনের এই আকস্মিক পটপরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাকে কি শুধু নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করতে হয়েছে?
না-কি লড়তে হয়েছে এতোদিনের চেনা মুখ আর সুপরিচিত স্বজনদের সঙ্গেও?

এমন কিছু প্রশ্ন নিয়ে আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে। তিনি আমাদের কাছে বলেছেন তাঁর জীবনের আদ্যোপান্ত। শৈশব, তারুণ্য, দাম্পত্য জীবন থেকে শুরু করে জীবনের সুখ-দুখের কথাগুলো তিনি অকপটে আলোচনা করেছেন। তিনি যেমন তাঁর স্বপ্নের কথা বলেছেন, তেমনই বলেছেন স্বপ্নভঙ্গের ব্যথাভরা অনুভূতির কথাও।

সত্যি বলছি, আমাদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় যখন তিনি তাঁর জীবনের সেই বেদনাবিধুর উপাখ্যান বলছিলেন, আমরা আমাদের চোখের অশ্রু ধরে রাখতে পারিনি। হিদায়াতের পথে তাঁর পা পিছলে পড়া, আবার উঠে দাঁড়ানোর সংগ্রামের অশ্রুভেজা কথাগুলো শুনে আমাদের চোখ থেকেও টপটপ অশ্রু ঝরেছে। খুব কষ্টে নিজেদেরকে সামলে নিয়ে সাক্ষাৎকার সম্পন্ন করতে হয়েছে।

এখন সাক্ষাৎকারটির ঘষামাজার কাজ চলছে। আমরা চেষ্টা করছি একটি সুখপাঠ্য ও ঈমানদীপ্ত বই পাঠকবর্গের হাতে তুলে দিতে। আল্লাহ চাহেন তো, অল্প কিছু দিনের মধ্যেই Maktabatul Azhar । মাকতাবাতুল আযহার থেকে বইটির মুদ্রিত কপি পাঠকের হাতে তুলে দিতে সমর্থ হবো। সবার কাছে দুআর আবেদন।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ