শনিবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৯ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৪ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদের মনোনয়নপত্র বাতিল আজ ঢাকার ২০ আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই ও সিদ্ধান্ত খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কাতারের আমিরের শোক খুতবার প্রস্তুতিকালে মিম্বরেই ইমামের মৃত্যু বিশিষ্ট বক্তা কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারীর মনোনয়নপত্র বাতিল গুলশান আজাদ মসজিদে মায়ের দোয়া মাহফিলে তারেক রহমান নির্বাচনে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ আল্লাহ স্বাক্ষী, ১৪ মাসে এক কাপ চায়ের টাকাও দুর্নীতি করিনি: হাসনাত ‘ইসলামী ছাত্র আন্দোলনকে সাহাবাদের চরিত্র দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে হবে’ ৭২ বছর ইমামতি, ‘শেষ খুতবা’র পর আবেগঘন বিদায় নিলেন মাওলানা আবদুল হক

আরব আমিরাতের আট নারীর বিরুদ্ধে বিচার শুরু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক ধনাঢ্য পরিবারের আটজন নারীর বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়েছে বেলজিয়ামের আদালতে৷ তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ – কাজের অনুমতিপত্র ছাড়া গৃহপরিচারিকাদের ইউরোপে এনে অমানবিক জীবনযাপনে বাধ্য করেছেন৷

ধনাঢ্য পরিবারটি অঢেল সম্পদ ও অর্থের জন্য সারা বিশ্বেই পরিচিত৷ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাব কিনে পরিবারটি প্রথম আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে আসে৷

সেই পরিবারের শেখা আল নেহায়ান ২০০৮ সালে তাঁর সাত কন্যাকে নিয়ে এসেছিলেন বেলজিয়ামে৷ রাজধানী ব্রাসেলসের কনরাড হোটেলে লাক্সারি স্যুটে ছিলেন তাঁরা৷ ছিলেন কয়েক মাস৷ অভিজাত পরিবারের সদস্যদের বিলাসবহুল কক্ষে অবস্থান কোনো সংবাদ শিরোনামে আসতো না সঙ্গে এক দল গৃহপরিচারিকাকেও নিয়ে না এলে৷ শেখ আল-নেহায়ান এবং তাঁর মেয়েদের সেবা-যত্নের জন্য আনা হয়েছিল ২০ জন গৃহপরিচারিকা৷

ইউরোপীয় আইন অনুযায়ী, ‘ওয়ার্ক পারমিট', অর্থাৎ কাজের অনুমতি নিয়েই শুধু গৃহপরিচারিকা বা অন্য কোনো কর্মীকে সঙ্গে আনা যায়৷ অথচ ওই ২০ জন গৃহকর্মীকে আনা হয়েছিল কাজের অনুমতিপত্র ছাড়া৷ অবৈধভাবে এনে তাদের সঙ্গে ন্যূনতম মানবিক আচরণও করা হয়নি৷ ধনাঢ্য পরিবারের নারীরা লাক্সারি স্যুটে থাকলেও সেবা-যত্নকারীদের শুতে হতো মাটিতে৷ পর্যাপ্ত খাবার দেয়া হতো না৷ কিন্তু খাটানো হতো প্রায় ২৪ ঘণ্টা৷ দিন-রাতের যে কোনো সময় ডাক পড়তো৷ পান থেকে চুন খসলেই শুরু হতো চিৎকার-চেঁচামেচি এবং নানা ধরনের হুমকি-ধামকি৷ এক গৃহকর্মী পালিয়ে গিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ না জানালে  ইউরোপের বুকে,  অভিজাত হোটেলে ২০ নারীর এমন মানবেতর জীবনযাপনের খবর কোনোদিন হয়ত জানাই যেত না৷

 অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নেমে পড়ে পুলিশ৷ জানা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিজাত পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগই সত্য৷ অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর মামলাও হয় বেলজিয়ামের আদালতে৷


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ