শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা পাকিস্তানে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধিদল তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত, সপ্তাহের মাঝামাঝি বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে স্বস্তি আসবে বাজারে: বাণিজ্যমন্ত্রী গুজব ও যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন: কাবার ইমাম সৌদি আরবে দেয়াল চাপা পড়ে বাংলাদেশি তরুণের মৃত্যু মুন্সিগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দায়িত্বশীল বৈঠক অনুষ্ঠিত

ধর্ষণের দায়ে সাত এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ ১০ জন কারাগারে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ধর্ষণ ও ভিডিও চিত্র ধারণের দায়ে কুড়িগ্রামে পর্নোগ্রাফি আইনে সাত এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ গ্রেফতার হওয়া ১০ জনের জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে আসামিদের আইনজীবী ফখরুল ইসলাম জামিনের আবেদন করেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমানের আদালত তা নাকচ করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে গোপনে তা ভিডিও করার পর মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মামলা হলে ১০ আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর মধ্যে প্রধান আসামি রাশেদুল ইসলামসহ ৭ জন এইচএসসি পরিক্ষার্থী।
পুলিশ জানায়, রাশেদুল নাগেশ্বরী উপজেলার হোসেন আলীর ছেলে। সে সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ওই কিশোরীর সঙ্গে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে রাশেদুল বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কিশোরীকে তার এক বন্ধুর বাড়ি নিয়ে যায়। সেখানে ওই কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। ওই দৃশ্য আবার গোপনে মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাশেদুলের বন্ধুরা। পরে তা মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ওই কিশোরী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং রাশেদুলকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাশেদুল ভিডিও চিত্রটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে টাকা দাবি করেন। পরে বিষয়টি কিশোরী তার পরিবারকে জানায়। রবিবার (৩ এপ্রিল) ওই কিশোরীর মামা সদর থানায় রাশেদুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম জানান, রাশেদুলকে গ্রেফতারের পর তার কাছ থেকে ৩৭ মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করা হয়। এরপর তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী বাকি আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সোবহান জানান, প্রধান আসামি রাশেদুলকে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে এবং বাকিদের শুধু পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

এসএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ