সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম

মসজিদ কি স্থানান্তর করা যায়? ইসলাম কী বলে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আহমাদ ইউসুফ শরীফ
আলেম ও শিক্ষক

tara mosjidসম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনে ধর্মীয় স্থাপনা স্থানান্তরের বিধান রেখে আইন পাস করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

তবে শর্ত হলো, ‘জনপ্রয়োজনে বা জনস্বার্থে একান্ত অপরিহার্য হলে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ক্ষেত্রে ব্যক্তি বা সংস্থার অর্থে স্থানান্তর ও পুনর্নির্মাণ সাপেক্ষে কেবল উক্ত সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা যাবে।’

এর ব্যাখ্যায় বলা হয়, ‘অর্থাৎ, রাস্তার উপর একটা মসজিদ পড়ে গেল, অপসারণ না করলে রাস্তা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে তখন এটাকে সরিয়ে রিলোকেট করে মসজিদ পুনর্নির্মাণ করে রাস্তাটা করা যাবে।”

সামরিক শাসনের সময় জারি করা ১৯৮২ সালের একটি অধ্যা দেশ উচ্চ আদালতের নির্দেশে বাংলা করে নতুন করে এই আইন করা হচ্ছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান।

সেই আইনে ধর্মীয় উপাসনালয়, কবর বা শ্মশানের জমি অধিগ্রহণের কোনো সুযোগ ছিল না। নতুন আইন জাতীয় সংসদে পাস হলে কার্যকর হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সরকারিভাবে জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ জমির দামের দেড়গুণ থেকে বাড়িয়ে তিনগুণ এবং বেসরকারিভাবে জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ চারগুণ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এখন আসুন আমরা মসজিদ স্থানান্তরের মাসআলা নিয়ে আলোচনা করি।

মসজিদ স্থানান্তরের মাসআলায় যাওয়ার আগে জানতে হবে, মসজিদের জমির ওয়াকফের সুরত সহি কিনা।

ওয়াকফের সুরত
আলী ইবনু হুজর রহ. ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণণা করেন; তিনি বলেন, খায়বারে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু’র একখণ্ড জমি লাভ হয়। তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি খায়বারে কিছু মাল লাভ করেছি। এর চেয়ে উত্তম মাল আমি কখনো পাইনি। আপনি এ বিষয়ে আমাকে নির্দেশ দিন? তিনি বললেন, ইচ্ছে করলে, মালটি ওয়াকফ করে এর উৎপাদিত ফল-ফসল সাদকা করে দিতে পার। তারপর উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এই মর্মে তা ওয়াকফ করে দেন যে, মূল ভূমি বিক্রি করা যাবে না। তিনি তা দরিদ্র, নিকট আত্মীয়, গোলাম আযাদ করা, মুসাফির, মেহমান ও আল্লাহ পথে সাদকা করে দেন। ন্যায়ভাবে তা থেকে খেতে বা বন্ধুদের খাওয়াতে এর মুতাওয়াল্লীর জন্য কোন পাপ হবে না। তবে শর্ত হলো এ থেকে যেন সম্পদশালী হওয়ার প্রয়াস না পায়।