শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

সুখী থাকবেন কীভাবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

journalism_cors4শাহরিয়ার হক: ভালো থাকতে আমরা সবাই চাই। কিন্তু নিজেকে ভালো রাখতে গিয়ে চারপাশের মানুষগুলোর গতিবিধি আর চিন্তা-চেতনাকেই যে প্রভাবিত করতে হবে সেটাই বারবার ভেবে বসি আমরা। কিন্তু আসলেই কি তাই? নিজের সুখ কি কেবল অন্যকে বদলালেই পাওয়া যায়? না, যায়না। আর তাই নিজেকে বদলে নিন। জীবনের প্রতি নিজের দৃষ্টিভঙ্গীকে পাল্টে নিয়ে সেই স্থানে পৌঁছে যান যেখানে আপনাকে খুশি করতে আর কাউকে দরকার হবেনা। আপনি নিজেই নিজেকে ভালো রাখতে পারবেন শতভাগ। কী করে? চলুন জেনে আসি।

নিজেকে আত্মনির্ভরশীল করুন

একলা থাকা মানেই কি সবার কাছে থেকে দূরে চলে যাওয়া? তা কিন্তু নয়। নিজেকে এমনভাবে আত্মনির্ভর করে তুলুন যাতে করে মানসিক বা আর্থিকভাবে আপনার সমস্ত দরকার আপনি নিজেই পূরণ করতে পারেন। এতে করে অন্যদের কাছ থেকে চাওয়া কমে যাবে আপনার। তাদেরকে ছাড়াই ভালো থাকতে পারবেন আপনি। আর কাউকে ছাড়া ভালো থাকতে পারার অর্থ হচ্ছে নিরপেক্ষভাবে সেই মানুষ ও তার সাথে থাকা সম্পর্ক নিয়ে ভাবতে পারা। জীবনে যাদের দরকার নেই তাদেরকে বাদ দিয়েও খুশি থাকতে পারা। একলা থাকার অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে নিজের ভালোলাগাকে আরো একটু বেশি প্রাধান্য দিতে পারবেন আপনি। অন্য কেউ নয়, তখন আপনার নিজের জীবনের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে কেবল আপনার হাতে। অন্য কারো আচরণ তখন আর কষ্ট দেবে না আপনাকে ততটা। প্রভাবিত করবে কম। আর সেই পরিস্থিতিতেই আপনাকে যে বা যারা ভালোবাসবে তাদেরকে সাথে নিয়ে জীবনকে আরো ভালোভাবে কাটিয়ে দিতে পারবেন আপনি।

নিজেকে মূল্যায়ন করুন

খুশি থাকার আরেকটি বড় চাবিকাঠি হচ্ছে নিজেকে বিশ্বাস করা। আর এই বিশ্বাসের জন্যে সবচাইতে দরকারি ব্যাপারটি হচ্ছে নিজেকে জানা। কোন ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগে থাকলে নিজেকে যাচাই করুন। আপনি যা ভাবে, যতটা জানেন বা যে পরিস্থিতিতে আছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্তটি কি সঠিক? কেন আপনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন? অন্য কোন মানুষের কারণে? তাহলে সেই বিষয়টি মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে আপনি কী ভাবছেন বা আপনি কী করতে চান সেটাই ভাবুন। সেটাকেই মূল্য দিন। এই যেমন- কোথাও বেড়াতে যেতে মন চাইছে। অথচ কেউ কী মনে করবে সেটা ভেবে বাড়ির বাইরে যাচ্ছেন না? অন্যের জন্যে এতটা ভাবনা বন্ধ করুন। নিজের জন্যে ভাবুন। অন্যকে যতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন নিজেকেও ততটা দিন। সাথের বন্ধু আপনার সাথে যেতে না করে দিল তারমানে এই না যে আপনি যাবেননা। যদি যেতে ইচ্ছে করে তাহলে যাবেন। কিন্তু বন্ধুর জন্যে আটকে থাকবেননা। বিশ্বাস রাখুন নিজের ওপর। আপনার বন্ধুটি সাথে গেলে যতটা খুশি আপনি হতেন, একলা গেলেও ভ্রমণে ততটাই আনন্দ পাবেন। অন্যের জন্যে নিজেকে ভোগানোর কোন মানে নেই।

তাই, একলা থাকতে শিখুন। আনন্দে থাকুন। তবে এর মানে এই নয় যে সবার থেকে আলাদা হয়ে যাবেন আপনি। সমাজে বাস করতে হলে মানুষ আর ননারকম সম্পর্কে আপনাকে থাকতেই হবে। সেগুলোকে সাথে নিয়েই বাস করুন। কিন্তু নিজেকে এতটাই স্বনির্ভর করে তৈরি করুন যাতে করে এই মানুষ আর সম্পর্কগুলো না থাকলেও একলাই খুশি থাকতে পারেন আপনি।

এআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ