মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬

মসজিদে গরু জবাইয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত আসাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

india_mosjid_mosqueআওয়ার ইসলাম: ভারতের বিজেপিশাসিত অসম রাজ্যের জোরহাটের একটি পুরোনো মসজিদে গরু জবাইয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

হিন্দুত্ববাদীদের অভিযোগ, বালিবাট মসজিদে গরু জবাই করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তারা মসজিদ পরিচালন কমিটির বিরুদ্ধে যোরহাট সদর থানায় অভিযোগ জানিয়েছে। পুলিশি তদন্তে অবশ্য গরু জবাইয়ের কোনো প্রমাণ মেলেনি।

অন্যদিকে, সারা অসম মুসলিম ছাত্র সংস্থা ‘আমসু’র যোরহাট জেলা কমিটি এবং পুরোনো বালিবাট মসজিদের যুব সঙ্ঘের পক্ষ থেকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার বিজেপি’র অঙ্কুর গুপ্তের বিরুদ্ধে মসজিদে অনধিকার প্রবেশের মাধ্যমে মুসলিমদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেয়াসহ সাম্প্রদায়িক সংঘাতের ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ দায়েরের পাশাপাশি তাকে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে।

মুসলিমদের পক্ষ থেকে অঙ্কুর গুপ্তকে গ্রেফতারের দাবিতে রোববার রাতে যোরহাট সদর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়।

বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরং দল এবং হিন্দু জাগরণ মঞ্চের পক্ষ থেকে গত রোববার সকালে মসজিদ পরিচালন কমিটির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানানো হয়। তাদের দাবি, শনিবার সন্ধ্যায় বালিবাট মসজিদে ৪ টি গরু জবাই করা হয়েছে।

এ ধরনের অভিযোগ পেয়ে রোববার সন্ধ্যায় পুলিশ সংশ্লিষ্ট ওই মসজিদে তদন্তের জন্য গেলেও গরু জবাই সংক্রান্ত কোনো আলামত সেখানে দেখতে পায়নি।

কিন্তু ওয়ার্ড কমিশনার অঙ্কুর গুপ্ত পুনরায় ওই মসজিদে ঢুকে নিজস্বভাবে তদন্ত শুরু করায় মুসলিমরা এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা অঙ্কুর গুপ্তকে গ্রেফতারের দাবিও জানান।

ওই ঘটনায় হিন্দুত্ববাদীদের পক্ষ থেকে পুনরায় মসজিদ পরিচালন কমিটির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হলে বিষয়টি অন্যদিকে মোড় নিয়েছে।

গোটা ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছেন বালিবাট মসজিদ পরিচালন কমিটির সম্পাদক নূর খুরশেদ হুসেন। ১৯৩৫ সাল থেকে মসজিদটিতে ফাতেহা-ই দোয়াজ-দাহুম পালিত হয়ে আসলেও কখনো এ ধরণের অভিযোগ ওঠেনি বলে তিনি জানান। ফাতেহা-ই দোয়াজ-দাহুম উপলক্ষে শনিবার থেকে প্রাচীন ওই মসজিদটিতে বহু মানুষ জমায়েত হচ্ছেন। গত ৮২ বছর ধরে মসজিদটিতে ফাতেহা-ই দোয়াজ-দাহুম পালন করা হলেও কখনো হিন্দু ধর্মে আঘাত দেয়া হয়নি বলে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

সূত্র: পার্সটুডে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ