সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

বায়তুল্লা’র সবচে প্রবীণ মুআজ্জিন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আব্দুল্লাহ বিন রফিক: আমরা হয়তো বায়তুল্লাহর আজান শুনেছি। তবে বাস্তবে নয়, মোবাইলে কিংবা টিভিতে। আর কেউ হজে গিয়ে থাকলে সরাসরি শুনেছেন। তবে সেই সুমধুর কন্ঠে আজান যিনি দেন তাকে কি কেউ দেখেছে কখনো? চলুন আজ বিশ্বের এই গর্বিত মুআজ্জিনের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেই।

তার নাম শায়খ আলী আহমাদ। ৪০ বছর ধরে বায়তুল্লাহর আজান দিয়ে চলেছেন। ১৯৪৫ সালে মক্কার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম। ১৯৭৫ সালে তার চাচাতো ভাই শায়েখ আবদুল মালিক মোল্লার মৃত্যুর পর থেকে আজ অবধি এই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সুমধুর কণ্ঠে আজান দেওয়ার কারণে অনেকেই তাকে ‘হারামের বিলাল’ উপাধিতে ভূষিত করেছেন।

বয়স যখন মাত্র তেরোর কোঠায় তখন তিনি হারাম শরীফের বাবুজ জিয়ারতে উঠে আজান দেওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর বাবুল মুহকামার মিনারসহ একে একে সবগুলো মিনারে আজান দেন। এভাবে একদিন সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে মক্কা শরিফের সম্মানিত মুআজ্জিন ঘোষণা করা হয়।

তিনি মক্কার সব মুআজ্জিনের তুলনায় প্রবীন এবং সবার ইনচার্জ। শুধু তাই নয় শায়খ আহমাদুল্লাহর খানদান ও পরম্পরা বছরের পর বছর ধরে বায়তুল্লায় আজানের গুরুদায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁর দাদা, বাবা ও চাচা বায়তুল্লাহর আজান দেওয়ার গৌরব লাভ করেছেন। এমনকি বর্তমানে তার পুত্র শায়খ আবদুল লতিফও হারাম শরীফের মুআজ্জিনের দায়িত্বে আছেন।

সূত্র: ডেইলি পাকিস্তান ও উইকিপিডিয়া আরবি অবলম্বনেি

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ