সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা শনিরআখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার

ট্রাম্প জেতায় শঙ্কিত নই; হিলারি মুখোশপরা নারী: ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

঳ প্রকৃত গণতন্ত্র আমেরিকায় কখনো ছিল না, আসবেও না

঳ মার্কিনিদের এবারের ভোট বিশ্বায়ন নীতির ওপর চপেটাঘাত

farid_masudমার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের বিজয় নিয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের চেয়ারম্যান ও শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের ইমাম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ আওয়ার ইসলামকে বলেন, ট্রাম্প জেতায় আমি শঙ্কিত নই। কারণ ট্রাম্প একজন খোলা মনের মানুষ। তার অন্তরে কী আছে এবং বাইরে কী তা বোঝা সহজ। বিপরীতে হিলারি ক্লিনটন একজন মুখোশে ঢাকা নারী যাকে বোঝা ও চেনা দুষ্কর।

তিনি বলেন, ট্রাম্পকে আমি সমর্থন করছি না। আসলে বলতে চাই ট্রাম্প হিলারি দুজনই মুসলিমদের বিপক্ষে। দুজনই উগ্র ও বদ মেজাজের। অতীতে হিলারি যখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন আমরা দেখেছি বিশ্বের প্রতি তার মনোভাব কেমন ছিল। ক্লিনটন যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তার অসভ্যতার ইতিহাসও আমাদের জানা।

আওয়ার ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক রোকন রাইয়ানকে দেয়া বক্তব্যে মাওলানা মাসঊদ জানান, আমেরিকা যাই বলুক তাদের নির্ধারিত রাষ্ট্রনীতি রয়েছে। এর বাইরে কেউ যেতে পারবে না। এখানে নিজের মতামতকে চাপিয়ে দেয়া কঠিন। নির্ধারিত সিস্টেমের বাইরে ব্যক্তিমতামত প্রতিষ্ঠিত করা প্রায় অসম্ভব। সুতরাং ট্রাম্প নির্বাচনের আগে যা বলেছে তা খুব সহজে প্রতিফলিত করতে পারবে এটা ভাবা বোকামি। তাছাড়া নির্বাচনের আগে অনেক প্রার্থীই নানা কথা বলে থাকে যা পরবর্তীতে কাজের ক্ষেত্রে মিলে না। ট্রাম্পের বিষয়গুলোও এমন হবে।

তিনি বলেন, পৃথিবীতে একেকটা সময় একেকটা ট্র্যান্ড আসে। এখন সারা বিশ্বে উগ্রবাদের প্রভাব বেশ লক্ষণীয়। বৃটেনে ক্যামেরনকে হটিয়ে ব্যক্সিটের আগমন, জার্মানির নতুন করে মাথা চাড়া দেয়ার চেষ্টা, এসব উগ্রবাদ ট্রাম্পের বিজয়কে সহজ করে দিয়েছে।

এই ভোট মার্কিন নাগরিকদের নিজের দেশের নীতির ওপর চপেটাঘাত উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমেরিকা যে বিশ্বায়নের কথা বলে, পরের বিষয়ে সর্বদা নাক গলায় মার্কিনদের এবারের ভোট এসব নীতির ওপর চপেটাঘাত। ভোটারটা ডেমোক্রেটদের বুঝিয়ে দিল অন্যের বিষয়ে নাক গলাতে ব্যস্ত নয় নিজের দেশকে নিয়ে ভাবতে হবে।

অভিবাসীদের বের করে দেয়া ও মুসলিমদের শঙ্কা ইস্যুতে তিনি বলেন, মুসলিমদের এত শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তার উগ্র বক্তব্যের প্রভাব বাস্তবে ফলবে না। অতীতের প্রেসিডেন্টরাও কিন্তু মুসলিমদের ব্যাপারে এমনই মনোভাব প্রকাশ করত। কেবল তারা মুখে সেটা বলত না। আর অভিবাসীদের তাড়িয়ে দেয়ার ব্যাপারে তো তিনি স্পষ্ট বলেছেন, অবৈধ অভিবাসীদের উচ্ছেদ করা হবে। এটা তো অযৌক্তিক কিছু নয়। আমার দেশেও যদি একটা অবৈধ অভিবাসী প্রবেশ করে আমি তাকে বাধা দেব। এটাই সবার নীতি।

মার্কিন গণতন্ত্র বিষয়ে তিনি বলেন, প্রকৃত গণতন্ত্র আমেরিকাতেও নেই। ওখানকার নির্বাচনেও বাংলাদেশের মতো কাঁদা ছোড়াছুড়ি দেখলাম। আসলে প্রকৃত গণতন্ত্র আমেরিকায় কখনো ছিল না, আসবেও না। আমেরিকায় গণতন্ত্রের নামে আছে ধোঁকাবাজি।

আরআর

ট্রাম্পের জয় প্রমাণ করল মার্কিনিরা অসভ্যতাকেই সমর্থন করে: উবায়দুর রহমান খান নদভী

আরাকান ও কাশ্মির প্রশ্নে বিশ্ব ও জাতিসংঘ বধির কেন?


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ