সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

মমতার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামছেন ইমামরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

imam_kalkataআওয়ার ইসলাম: ক্ষমতায় আসার আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। সে কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে চলেছেন ইমাম এবং মুয়াজ্জিনরা। রাজ্যের মুসলিম ধর্মগুরুদের প্রায় ৪০টি সংগঠন মিলে আগামী ৮ নভেম্বর পথসভা করবেন কলকাতার ধর্মতলায় রানি রাসমনি অ্যাভিনিউতে।

সম্মেলনটিতে কমপক্ষে দশ হাজার আলেম উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

২০১১ সালে ক্ষমতা লাভের পর রাজ্যের ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের জন্য যথাক্রমে আড়াই হাজার টাকা এবং এক হাজার টাকা করে ভাতা চালু করেছিলেন। এই নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও কিছু কম হয়নি। অল বেঙ্গল মাইনরিটি ইয়ুথ ফেডারেশন (এবিএমওয়াইএফ)-এর সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ কামরুজ্জামানের কথায়, ‘ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের সাম্মানী হিসেবে যা টাকা দেওয়া হয় তা অনেক কম। গত পাঁচ বছরে তা বাড়ানো হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাঝে একটা সময় ছয় মাসের জন্য ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সেই টাকা কী হয়েছে তা কেও জানে না।’

মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের ইমামদের জন্য ‘নিজ জমি নিজ গৃহ’ প্রকল্পের মাধ্যমে জমি ও বাড়ি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন অনেক প্রবীণ ইমামরা। রাজ্যের ৫২ হাজার ইমামকে সরকারের তরফ থেকে যে ভাতা দেওয়া হয় সেই প্রক্রিয়াও এখন অনেক ধীর গতিতে চলছে বলে অভিযোগ করেছেন অল বেঙ্গল ইমাম এন্ড মোয়াজ্জিন সমিতি’র সভাপতি এটিএম রফিকুল হাসান।

ইমামদের মাসিক নূন্যতম ২০ হাজার টাকা ভাতার দাবি করেছেন নাখোদা মসজিদের ইমাম শফিক কাসমি। তাঁর কথায়, ‘ইমামদের জন্য যে ২৫০০ টাকা দেওয়া হয়, সেটা খুবই কম। ইমামদের জন্য এটা অন্তত ২০ হাজার এবং মুয়াজ্জিনদের জন্য ১০ হাজার টাকা করা উচিত’।

এই বিতর্কের মাঝেও রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম সৈয়দ মহম্মদ নুরুর রহমান বরকতি। মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই ইমামের কথায়, ‘আমরা বলতেই পারি যে সরকারের এই বিষয়টিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত, কিন্তু আমি মনে করি না যে এই ধরনের দাবি করাটা খুব বিচক্ষণতার কাজ হবে। কারণ অর্থ সংকটের মধ্যে রাজ্য সরকার মুসলিমদের জন্য অনেক কিছু করছে।’

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ