শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা পাকিস্তানে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধিদল তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত, সপ্তাহের মাঝামাঝি বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে স্বস্তি আসবে বাজারে: বাণিজ্যমন্ত্রী গুজব ও যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন: কাবার ইমাম

মমতার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামছেন ইমামরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

imam_kalkataআওয়ার ইসলাম: ক্ষমতায় আসার আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। সে কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে চলেছেন ইমাম এবং মুয়াজ্জিনরা। রাজ্যের মুসলিম ধর্মগুরুদের প্রায় ৪০টি সংগঠন মিলে আগামী ৮ নভেম্বর পথসভা করবেন কলকাতার ধর্মতলায় রানি রাসমনি অ্যাভিনিউতে।

সম্মেলনটিতে কমপক্ষে দশ হাজার আলেম উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

২০১১ সালে ক্ষমতা লাভের পর রাজ্যের ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের জন্য যথাক্রমে আড়াই হাজার টাকা এবং এক হাজার টাকা করে ভাতা চালু করেছিলেন। এই নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও কিছু কম হয়নি। অল বেঙ্গল মাইনরিটি ইয়ুথ ফেডারেশন (এবিএমওয়াইএফ)-এর সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ কামরুজ্জামানের কথায়, ‘ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের সাম্মানী হিসেবে যা টাকা দেওয়া হয় তা অনেক কম। গত পাঁচ বছরে তা বাড়ানো হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাঝে একটা সময় ছয় মাসের জন্য ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু সেই টাকা কী হয়েছে তা কেও জানে না।’

মুখ্যমন্ত্রী হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের ইমামদের জন্য ‘নিজ জমি নিজ গৃহ’ প্রকল্পের মাধ্যমে জমি ও বাড়ি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন অনেক প্রবীণ ইমামরা। রাজ্যের ৫২ হাজার ইমামকে সরকারের তরফ থেকে যে ভাতা দেওয়া হয় সেই প্রক্রিয়াও এখন অনেক ধীর গতিতে চলছে বলে অভিযোগ করেছেন অল বেঙ্গল ইমাম এন্ড মোয়াজ্জিন সমিতি’র সভাপতি এটিএম রফিকুল হাসান।

ইমামদের মাসিক নূন্যতম ২০ হাজার টাকা ভাতার দাবি করেছেন নাখোদা মসজিদের ইমাম শফিক কাসমি। তাঁর কথায়, ‘ইমামদের জন্য যে ২৫০০ টাকা দেওয়া হয়, সেটা খুবই কম। ইমামদের জন্য এটা অন্তত ২০ হাজার এবং মুয়াজ্জিনদের জন্য ১০ হাজার টাকা করা উচিত’।

এই বিতর্কের মাঝেও রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম সৈয়দ মহম্মদ নুরুর রহমান বরকতি। মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই ইমামের কথায়, ‘আমরা বলতেই পারি যে সরকারের এই বিষয়টিতে মনোযোগ দেওয়া উচিত, কিন্তু আমি মনে করি না যে এই ধরনের দাবি করাটা খুব বিচক্ষণতার কাজ হবে। কারণ অর্থ সংকটের মধ্যে রাজ্য সরকার মুসলিমদের জন্য অনেক কিছু করছে।’

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ