মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

যের, যবর, পেশ ও নুকতার আবিষ্কারক কে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

quran copyওয়ালি উল্লাহ সিরাজ

আমরা কুরআন পড়ি। কুরআনের প্রতিটি হরফের উপরই রয়েছে হরকত (যের, যবর, পেশ ও নুকতা)। কুরআন যখন নাজিল হয়েছে তখন কোন হরফের উপরই এই হরকত ছিলো না। এমনকি হযরত উসমান (রা.) যে মুসহাফ (কুরআন সংকলন করেছিলেন) তৈরি করেছেন তাতেও হরফসমূহে নুকতা ও হরকত ছিল না। পরবর্তীতে কে এই মহৎ কাজটি করেছেন-এ নিয়ে ঐতিহাসিকদের মাঝে মতভেদ আছে।

তবে বর্তমান সময়ের বিখ্যাত আলেম, আল্লামা তকী উসমানী (দা.) ‘উলূমুল কুরআন’-এ উল্লেখ করেছেন যে, কুরআনের হরকত কে দিয়েছেন সে সম্পর্কিত সকল বর্ণনা সামনে রাখলে প্রতীয়মান হয় যে, হরকত সর্বপ্রথম হযরত আবুল আসওয়াদ দুয়ালী (রাহ.) আবিষ্কার করেন। কিন্তু হরকতের রূপ এখন যেমন দেখা যায় তেমন ছিল না। তখন ছিল ফোঁটার মতো। যবরের জন্য উপরে এক ফোঁটা দেওয়া হত, যেরের জন্য নিচে এক ফোঁটা আর পেশের জন্য সামনে এক ফোঁটা দেওয়া হত। তানভীনের জন্য দুই ফোঁটা ব্যবহৃত হত। এরপর খলীল বিন আহমদ (রাহ.) হামযাহ ও তাশদীদের বর্তমান রূপটি আবিষ্কার করেন।

এরপর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ইয়াহইয়া বিন ইয়ামার (রাহ.) ও নাসর বিন আসেম (রাহ.)- এর মাধ্যমে কুরআনে কারীমে হরফসমূহে নুকতা লাগানোর ব্যবস্থা করেন। এই সময়ই মূলত নুকতা ও হরকতের পার্থক্যের উদ্দেশ্যে হরকতের বর্তমান রূপটি অবলম্বন করা হয়। সূত্র: আলবুরহান ১/২৫০; উলূমুল কুরআন পৃ. ১৯৫

এআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ