সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

রুকু না পেলে আবার নতুন করে তাকবীর বলে হাত বাঁধা ভুল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

salahআওয়ার ইসলাম: কিছু মানুষকে দেখা যায়, ইমাম রুকুতে থাকা অবস্থায় তাকবীরে তাহরিমা বলে নামাযে শরীক হয়। সে রুকুতে যেতে যেতে বা যাওয়ার আগে যদি ইমাম রুকু থেকে উঠে যান তাহলে আবার নতুন করে তাকবীর বলে হাত বাঁধে। সে হয়ত মনে করে, রুকু যেহেতু পেলামই না নতুন করে আবার শুরু করা যাক। বা এ অবস্থায় কী করবে ভেবে পায় না, ফলে নতুন করে আবার তাকবীর বলে হাত বাঁধে। এটি একটি ভুল পদ্ধতি।

মুক্তাদী রুকুতে যাওয়ার আগেই যদি ইমাম রুকু থেকে উঠে যান তাহলে দাঁড়ানো অবস্থায়ই ইমামের সাথে শরীক হবে এবং ইমামের অনুসরণ করবে, নতুন করে তাকবীর বলে হাত বাঁধবে না।

আর যদি এমন হয় যে, ইমাম রুকু থেকে উঠে গিয়েছেন আর মুক্তাদী রুকু পাননি ঠিকই কিন্তু রুকুতে চলে গিয়েছেন; তাহলে তার করণীয় হল, রুকু থেকে উঠে যাওয়া এবং ইমামের অনুসরণ করা। (ইমাম যে অবস্থায় আছেন সে অবস্থায় ফিরে আসা।) আর যেহেতু সে ইমামকে রুকুতে পায়নি তাই সে রাকাতও পায়নি। কারণ, রাকাত পাওয়ার জন্য ইমামকে রুকুতে পাওয়া শর্ত।

এক্ষেত্রে আরেকটি বিষয়ও লক্ষ্য করা যায়, রুকু না পেলে কিছু মানুষ জামাতে শরীক না হয়ে এমনিই দাঁড়িয়ে থাকে। ইমাম যখন চলমান রাকাত শেষ করে পরবর্তী রাকাতের জন্য দাঁড়ান তখন সে নামাযে শরীক হয়। এ পদ্ধতিটিও ঠিক নয়।

হাদীস শরীফে এসেছে, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-

مَا أَدْرَكْتُمْ فَصَلُّوا، وَمَا فَاتَكُمْ فَاقْضُوا.

অর্থাৎ তোমরা ইমামকে যে অবস্থায় পাও নামাযে শরীক হয়ে যাও, আর যতটুকু ছুটে গেছে তা (জামাত শেষে) আদায় কর। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৩৬

সুতরাং ইমামকে যে অবস্থায়ই পাওয়া যাক নামাযে শরীক হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, ইমামকে রুকু অবস্থায় পাক বা রুকু থেকে দাঁড়ানো অবস্থায়- উভয় ক্ষেত্রে হাত বাঁধতে হবে না। বরং দু’হাত তুলে তাকবীরে তাহরিমা বলে হাত না বেঁধে রুকুর তাকবীর বলে রুকুতে যাবে বা ইমাম দাঁড়িয়ে গেলে হাত না বেঁধে ইমামের সাথে নামাযে শরীক হবে।

সূত্র: আল কাউসার

এফএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ