সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

পবিত্র হজে পাথর নিক্ষেপের সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

jamarat-2আওয়ার ইসলাম: গত বছর হজে শয়তানকে কঙ্কর নিক্ষেপ করতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটায় এ বছর কাজটিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সৌদি। জামরায পাথর নিক্ষেপ করতে গিয়ে যাতে আর কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেজন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। পুনর্নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে পাথর নিক্ষেপের সময়সূচি।

১০ জিলহজে শুধু বড় জামরায় (শয়তান) কঙ্কর নিক্ষেপ এবং ১১ ও ১২ জিলহজে ছোট, মধ্যম ও বড় এই তিন জামরাতেই (শয়তানকে) পাথর মারা ওয়াজিব। শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করা পবিত্র হজের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ১০ জিলহজ তারিখে স্থানীয় সময় সকাল ৬টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত জামারায় পাথর নিক্ষেপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর ১১ জিলহজে স্থানীয় সময় বিকাল ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাথর নিক্ষেপ করা যাবে না। ১২ জিলহজে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল ২টা পর্যন্ত পাথর নিক্ষেপ করা যাবে না।

আরব নিউজে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মক্কা কর্তৃপক্ষের বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, তুর্কি, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা ও সৌদি আরবের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

বৈঠক শেষে আন্ডার সেক্রেটারি হুসেইন আল শরিফ বলেন, হজ একটি জাতীয় মিশন। এটা নিরাপদ ও নিরুদ্বিগ্ন করতে প্রত্যেককে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেছেন, এবার আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হলো- হজযাত্রীদের সুষ্ঠুভাবে শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করে নিরাপদে তাদের তাঁবুতে ফেরত যাওয়া নিশ্চিত করা। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি।

হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় ৮ জিলহজ। এদিন হাজিরা মিকাত থেকে ইহরাম বেঁধে মক্কার উদ্দেশে রওয়ানা দেন। তারপর তাওয়াফে কুদুমের মাধ্যমে শুরু হয় হজের আনুষ্ঠানিকতা।

তওয়াফে কুদুম করার পর হাজিরা মিনায় অবস্থান করেন। যেহেতু ৮ জিলহজে তওয়াফে কুদুমের ক্ষেত্রে মক্কায় বেশি ভিড় হয়, তাই ওই দিন নামাজের পর ১ ঘন্টা তাওয়াফ না করার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি বেশি লোক এক সঙ্গে তাওয়াফ না করা ও তাওয়াফের সময় অতিরিক্ত কিছু বহন না করতেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ