বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
পুকুরে গোসলে নেমে প্রাণ গেল দুই মাদরাসা ছাত্রের দুই হিন্দু অনাথ ভাইকে মানুষ করে বিয়ে দিলেন মুসলিম দম্পতি বিজয় দিবসে ৮ হাজার ২৯৯ বন্দিকে মুক্তি দিলো তালেবান সরকার ইউপি নির্বাচনে ফের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হচ্ছেন রফিকুজ্জামান অনু নূরানী তালীমুল কুরআন বোর্ডের মুয়াল্লিম প্রশিক্ষণ কোর্সে ভর্তি চলছে জাতীয় সংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ফুটপাত দখল করে ব্যবসা নয়, নির্দেশনা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএসসিসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে উত্তপ্ত সংসদ মাছ ধরতে গিয়ে নদীতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ‘জাতিসংঘ সভাপতির পদ কোনো এক দেশের স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ নেই’ 

এই জায়গাগুলোতে দাওয়াতি কাজ করবে কে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

saimumসাইমুম সাদী; অনলাইন এক্টিভিস্ট

আমি দ্বীনের বিজয় চাই কিন্তু আমি কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়ে, সচিবালয়ে, আদালতে, কেবিনেটে, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে, রাজনীতিতে দ্বীনের দাওয়াত দিতে চাইনা, ওসব স্থানে যেতে চাইনা, তাহলে ভাই দ্বীনের বিজয় আসলে আপনি কোনখানে চান?

হক্কানিয়ত হক্কানিয়ত এইসব বিষয় তো আসলে নিছক দাবী করার বিষয় নয়, প্রতিষ্ঠা করার বিষয়। সমাজ ও সংস্কৃতি, রাস্ট্র ও রাজনীতি, মিডিয়া ও শিক্ষা ব্যাবস্থা যারা চালায় তারা ভার্সিটি থেকে বের হয়। আপনি ভার্সিটিতে যেতে চাননা। সেখানে দাওয়াতি কাজ করার কোন প্ল্যান নাই। আপনার সন্তানদেরকেও সেইসব স্থানে দাওয়াতি কাজের জন্য পাঠানোর বিরোধী আপনি।

মাদ্রাসার স্বীকৃতির সাথে সরকারি চাকরির কথা বলে, যারা স্বীকৃতি নেয় নাই তারা কি না খেয়ে মরে যাচ্ছে এইসব কথা আসলে কিজন্য বলেন আপনারাই জানেন। এইসব কথা বলে দাওয়াতি কাজ থেকে সরে আসার কোন সুযোগ কি আছে জানিনা। সার্টিফিকেটের স্বীকৃতি এজন্য লাগবে অন্তত কওমি মাদ্রাসার একজন ছাত্র যেন এই সার্টিফিকেট নিয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এখানে খাওয়া না খাওয়ার প্রশ্ন নেই।

দ্বীন এবং সততা সংকুচিত করে নয় বিস্তারের মধ্যেই কল্যাণ নিহিত। সকল নবী ও রাসুল আ. দ্বীনি চেতনাকে বিস্তৃত করার কাজে সচেষ্ট ছিলেন। সুতরাং বিভক্তি নয় ঐক্যবদ্ধ ভাবেই একটি পজিটিভ সিদ্ধান্ত নেয়া খুবই জরুরি।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ