সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল

এই জায়গাগুলোতে দাওয়াতি কাজ করবে কে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

saimumসাইমুম সাদী; অনলাইন এক্টিভিস্ট

আমি দ্বীনের বিজয় চাই কিন্তু আমি কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়ে, সচিবালয়ে, আদালতে, কেবিনেটে, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে, রাজনীতিতে দ্বীনের দাওয়াত দিতে চাইনা, ওসব স্থানে যেতে চাইনা, তাহলে ভাই দ্বীনের বিজয় আসলে আপনি কোনখানে চান?

হক্কানিয়ত হক্কানিয়ত এইসব বিষয় তো আসলে নিছক দাবী করার বিষয় নয়, প্রতিষ্ঠা করার বিষয়। সমাজ ও সংস্কৃতি, রাস্ট্র ও রাজনীতি, মিডিয়া ও শিক্ষা ব্যাবস্থা যারা চালায় তারা ভার্সিটি থেকে বের হয়। আপনি ভার্সিটিতে যেতে চাননা। সেখানে দাওয়াতি কাজ করার কোন প্ল্যান নাই। আপনার সন্তানদেরকেও সেইসব স্থানে দাওয়াতি কাজের জন্য পাঠানোর বিরোধী আপনি।

মাদ্রাসার স্বীকৃতির সাথে সরকারি চাকরির কথা বলে, যারা স্বীকৃতি নেয় নাই তারা কি না খেয়ে মরে যাচ্ছে এইসব কথা আসলে কিজন্য বলেন আপনারাই জানেন। এইসব কথা বলে দাওয়াতি কাজ থেকে সরে আসার কোন সুযোগ কি আছে জানিনা। সার্টিফিকেটের স্বীকৃতি এজন্য লাগবে অন্তত কওমি মাদ্রাসার একজন ছাত্র যেন এই সার্টিফিকেট নিয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এখানে খাওয়া না খাওয়ার প্রশ্ন নেই।

দ্বীন এবং সততা সংকুচিত করে নয় বিস্তারের মধ্যেই কল্যাণ নিহিত। সকল নবী ও রাসুল আ. দ্বীনি চেতনাকে বিস্তৃত করার কাজে সচেষ্ট ছিলেন। সুতরাং বিভক্তি নয় ঐক্যবদ্ধ ভাবেই একটি পজিটিভ সিদ্ধান্ত নেয়া খুবই জরুরি।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ