মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

ব্যর্থ অভ্যুত্থান এবং পশ্চিমা মিডিয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

rashed shawnরাশেদ শাওন: তুরস্কে সেনা অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর পশ্চিমা মিডিয়াগুলোর ভাবটা এমন যে অভ্যুত্থানটা সফল হয়ে গেলেই তারা খুব খুশি হতো। সেইসঙ্গে আমাদের দেশের অনেক সামরিক শাসন বিরোধী, গণতন্ত্রপন্থী সুশীলও মনে হয় কষ্ট পেয়েছেন- অভ্যুত্থানটা কেন সফল হলো না! এটা সফল হলে পশ্চিমাদের কিছু সুবিধা ছিল। কিন্তু এতে বাংলাদেশি সুশীদের কোনো লাভ হতো কিনা আমার জানা নেই।

অভ্যুত্থানটা সফল হয়ে গেলে কিন্তু ক্ষতির পরিমাণটা অনেক বেশি হতো। তুরস্কের সেনা, বিমান এবং নৌবাহিনীতে এরদোয়ানপন্থী অসংখ্য কর্মকর্তা রয়েছেন। তারাও পাল্টা অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালাতেন। শেষ পর্যন্ত টিকতে না পারলে বিদ্রোহ ঘোষণা করে সেনাবাহিনী থেকে বেরিয়ে যেতেন। যেমনটা হয়েছিল সিরিয়ার ক্ষেত্রে। সেনাদের একটি অংশ বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে গিয়ে তৈরি করেছিল ফ্রি সিরিয়ান আর্মি।

এরদোয়ানের পক্ষের সাধারণ জনগণও নিশ্চয়ই বসে থাকতো না। যারা সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্কের সামনে দাঁড়াতে ভয় পায়নি, তারা অস্ত্র হাতে ‍তুলে নিতেও ভয় পেত না। ফলে কী হতো? একটা গৃহযুদ্ধ তৈরি হতো। ইরাক, লিবিয়া কিংবা সিরিয়ার ভাগ্য বরণ করতে হতো তুরস্ককে। সেই দেশগুলোর জনগণের দুর্দশার কথা চিন্তাও করা যায় না।

এক সময় আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে মানব উন্নয়ন সূচকে সবচে এগিয়ে থাকা লিবিয়ার কথা ভাবলে এখন গা শিউরে ওঠে। এক কালের ঝকঝকে ইরাক, সিরিয়া এখন ধ্বংসস্তূপ। সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে মিশরেও। সেখানের মানুষও কি ভালো আছে। বেকারত্ব বেড়েই চলেছে দেশটিতে। অর্থনৈতিকভাবেও এগোতে পারছে না মিশর।

সবচে বড় সুবিধাটা পেত আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীরা। বিশৃঙ্খলার সুযোগে তারা তুরস্কে ঘাঁটি তৈরি করতো। আইএস ওঁৎ পেতে বসেই আছে। ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়াকে যেমন অভয়ারণ্য বানিয়েছে, তেমনি তুরস্ককেও বানাতো। সন্ত্রাসবাদ আরো শক্তিশালী হয়ে উঠতো। এতে কারোরই কোনো লাভ হতো না। আর ক্ষতিটাও শুধু তুরস্কের জনগণের হতো না। সন্ত্রাসবাদীরা সারা পৃথিবীতেই ছড়িয়ে পড়ছে। ওরা শক্তিশালী হলে কুফলটা সবাইকেই ভোগ করতে হবে।

/আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ