শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী

‘শরিফ নিখোঁজ ছিলেন’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

download (4)আওয়ার ইসলাম ডেস্ক : পুলিশের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত পুরস্কার ঘোষিত ছয় জঙ্গির একজন শরিফুল ইসলাম চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার বাবা আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, ওই দিন সন্ধ্যায় যশোরের বসুন্দিয়া এলাকা থেকে তাঁকে কে বা কারা তুলে নিয়ে যায়।

তার বাবা আরও জানান, নিহত শরিফুল ইসলামের আসল নাম মুকুল রানা। স্থানীয় লোকজনও তাঁকে মুকুল রানা নামে চেনেন। তাঁর বয়স ২৩ বছর। তিনি সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ইংরেজি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

আবুল কালাম আজাদের দাবি করেন, তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার ছেলে ঢাকায় গিয়ে অন্য কোনো দলের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল কি না, তা তিনি জানেন না।

শরিফের বোন রিমি নিহত ভাই সম্পর্কে বলেন, তাঁর ভাই মুকুল খুব মেধাবী ছিলেন। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় তিনি জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, মুকুল রানা চার মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন। তিনি চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি যশোরের জগন্নাথপুরে বিয়ে করেছেন। তাঁর স্ত্রীর নাম মৌহা আক্তার রিমি। বিয়ের পরে একবার সাতক্ষীরায় বাড়িতে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর আবার যশোরে শ্বশুরবাড়িতে যান। ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় যশোরের বসুন্দিয়া এলাকা থেকে তাঁকে কে বা কারা তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার তিন-চার দিন পর যশোর কোতোয়ালি থানায় মুকুল রানার শালা আমির হোসেন একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছেন।

আওয়ার ইসলাম ২৪ ডটকম / এফএফ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ