শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

হিন্দুরাও ‘রোজা’ রাখেন!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

Rajasthan Tourism_Logoআওয়ার ইসলাম ডেস্ক : ভারত যে শুধু সাম্প্রদায়ীক দাঙ্গার দেশ তা নয়, সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতিও আছে কোনো কোন প্রদেশে। ভারতের রাজস্থানের বার্মার ও জয়সালমির জেলার অনেক গ্রামেই আছে ধর্মীয় সম্প্রীতির নিদর্শন। এখানে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের জনগণ উভয়ের ধর্মের প্রতি সহানুভূশীল। হিন্দুদের দিওয়ালি ও অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যেমন মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন অংশগ্রহণ করে ঠিক তেমনি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনও সেখানে ‘রোজা’ রাখে। অর্থাৎ রোজার মাসে মুসলমানদের মতো তারাও নির্দিষ্ট একটা সময় পানাহার থেকে বিরত থাকে।

রাজস্থানের এসব গ্রামের অনেক হিন্দু লোকজন এবারও তাই রাখছেন। শুধু তাই নয়, মুসলমান প্রতিবেশীদের মতো করে তারা মসজিদেও যান। তবে সেটা যতটা না প্রার্থনা, তারচেয়ে বেশি সংস্কৃতি। এখানকার এ নিয়ম চলে আসছে বহুকাল ধরেই। কেউ বলতে পারে না কীভাবে এ নিয়ম চর্চা করা শুরু হয়। দেশ বিভাগের পর পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ থেকে অনেক হিন্দু আসে এ অঞ্চলে। বার্মার ও জয়সালমির জেলার অনেক গ্রামেই কে মুসলিম বা কে হিন্দু তা বোঝা যায় না। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম / ওএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ