সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম

ডালপট্টিতে ডাল নেই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

dalআহসান শরিফ, ফিচার এডিটর : সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার তাগিদে মানুষ খাবার খায়। মাছ, গোশত, শাক, সবজি এবং ডাল খাবার তালিকায় অন্যতম। বাজার মূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানুষের নাভিশ্বাস তুলে প্রতিনিয়ত। মাংশ কিনবেন; দাম বেশি। মাছ কিনবেন; দাম বেশি। সবজি কিনবেন; দাম বেশি। উপায় না পেয়ে নিম্ন আয়ের মানুষ দুমুঠো খাবার খেয়ে বেঁচে থাকার জন্য বেছে নেয় ডাল।

ধনি, গরিব, দেশী, বিদেশী সবার খাবারেই প্রয়োজন ডালের। নাস্তা, ইফতারি কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানে লাগে ডাল, ছোলা এবং ডাবলি। ঢাকার মানুষের সবরকম ডালের সরবরাহ হয় চকবাজার ডালপট্টি থেকে। বড় কাটারা, ডালপট্টি এবং মৌলভি বাজার এলাকা মিলে প্রায় ৬৫ টি ডালের দোকান। মসুরি, খেসারি, মুগ, ছোলা, মটর, কালি মটর, অরহল, মাস কলাইর মতো সবরকমের ডাল সরবরাহ করে এ দোকানগুলো। অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নেপাল, তুর্কি-সহ বহু দেশ থেকে আমদানি করা হয় ডাল। সরেজমিন পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডালপট্টিতে এখন আগের মতো ডালের দোকান নেই। নেই ডালের মিল, শ্রমিক কিংবা বহনকারী গরুর গাড়িও। যানজট, পরিকল্পনাহীন রাস্তা, ডাল শুকানোর মাঠ না থাকা এবং যানবাহনের সমস্যাকে বড় করে দেখেন পুরণো ডাল ব্যবসায়ীরা। এ ব্যাপারে হাজি জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের সুবিধা না দিলে এক সময় ব্যবসা বন্ধ হইয়া যাইবো। মানুষের দুর্ভোগ বাড়বো। এ জন্য কেন্দ্রীয় কারাগারকে সরাইয়া নিয়া এ জায়গাকে ব্যবসায়ী মহল্লা বানাইতে পারে সরকার। এতে কইরা ব্যবসায়ীরা উপকৃত হইবো। প্রয়োজনীয় পার্কিং এবং প্রশস্ত জায়গা পাইলে সব কিছুই সহজে হইবো।’

বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি, রহমতগঞ্জের স্থায়ী বাসিন্দা, হাজি সফি মাহমুদ। বাপ-দাদার উত্তরাধীকার সূত্রে পাওয়া ডাল ব্যবসায়ী তিনি। ডাল ব্যবসার ভাল-মন্দ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আগের মতো ব্যবসা নাই। পুরা এলাকায় ১৮৩ টা দোকান থেইকা আছে ৬৫ টা। ৫৫ টা মিল থেইকা আছে ৬ টা। শ্রমিক কইমা গেছে। কারণ, চাহিদা অনুপাতে ছোলার উৎপাদন কম। ছোলার আবাদ তো দেশে নাই-ই। খেসারির আবাদও কইমা গেছে। গোডাউন ভাড়া বেশি।’ উৎপাদন কমার কারণ জানতে চাইলে সফি মাহমুদ বলেন, ‘আবাদের জমি নাই। আবাসন কোম্পানি প্লট বিক্রি কইরা জমি নষ্ট করতাছে। এ ছাড়া বছরে তিন সৃজন ধান করা গেলেও ডাল করা যায় মাত্র এক সৃজন। শ্রমিকদের পোশায় না। ডালের চাহিদা পুরণ করতে ৮০ পার্সেন্ট ডাল দেশের বাইর থেইকা আনতে হয় আমগো।’

সারা বছর ডালের দাম নাগালের কাছাকাছি থাকলেও রমজানে লাগে আগুন। হুট করে ডালের দাম বেড়ে ক্রয়সীমার বাইরে চলে যায়, এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মিডিয়া বলে আমরা সিন্ডিকেট করি। আসলে বিষয়টা তা নয়। ডালে সিন্ডিকেট করা