সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

শিশুদের প্রতি মহানবীর ভালোবাসা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

sisooo in islamমাওলানা আবদুল্লাহ আল ফারুক : শিশুদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভালোবাসা ছিলো অগাধ ও অসীম। রহমতের নবীর প্রীতিময় সোহাগের প্রতিটি বিন্দু অবারিত ছিলো তাদের জন্যে। এমনিতেই তো নবীজির ভালোবাসার উপচে পড়া সিন্ধু ছোট-বড় প্রত্যেকের জন্যে উম্মুক্ত ছিলো। কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে সেই ভালোবাসার প্রাবল্য যেনো আরো বেশি হয়ে ওঠতো। সীরাতের বইগুলোতে এ ধরনের অসংখ্য ঘটনা সমুজ্জ্বল হয়ে আছে আপন বিভায়। সংখ্যা গুণে নয়, সেখান থেকে মনে ধরেছে, এমন কয়েকটি সুচয়িত গল্প আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।

আমরা আমাদের যাপিত জীবনে দেখতে পাই, অনেক বাবাই তার সন্তানের জন্যে মুখিয়ে থাকেন না। শিশুর পাশ দিয়ে অনেক বড়কে দেখা যায় হেঁটে যাচ্ছেন নির্বিকার চিত্তে। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলবৎ এমন ছিলেন না। কোনো শিশুকে দেখলে তিনি প্রাণবন্ত উচ্ছল না হয়ে পারতেন না। স্নেহের আঁচল ছড়িয়ে কাছে টেনে নিতেন। বুকের মমতায় সিক্ত করতেন। ভালোবাসার প্রীতিময় বাহুডোরে জড়িয়ে রাখতেন।...

নবীজির প্রতি মদীনার শিশুদের ভালোবাসাও ছিলো অন্য রকম। পথের মোড়ে, বাড়ির ধারে নবীজির প্রতি দৃষ্টি পড়লেই তারা ছুটে আসতো। কোলে ওঠার বায়না ধরতো। কতোরকম দুষ্টুমিতে মেতে ওঠতো।...

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাড়িতে এসে হাসান ও হুসাইনের সঙ্গে খেলা করতেন। প্রিয় নানাজানকে ওরাও খেলায় শরিক করে নিতো। সেজদারত নবীজির পিঠে দু’ভাই এসে বসে যেতো। অশ্ব বানিয়ে দাপিয়ে বেড়াতো। নামাযরত নবীজি অপেক্ষা করতেন, সংযম প্রদর্শন করতেন। তাদের নিজ ইচ্ছায় পিঠ থেকে নেমে যাওয়ার অপেক্ষায় থেমে থাকতেন।...

নামায শেষে নবীজিও তাদের সঙ্গে শিশুসুলভ খেলায় মেতে ওঠতেন। বালখিল্যতা করতেন। তাদের এই দুষ্টুমির জন্যে কখনো তিনি চোখ বড় করেননি। রুক্ষ শব্দ বলেননি। বরং তাদের প্রতিটি আচরণ উপভোগ করতেন।

হয়তো কেউ ভাবছো, আদরের কন্যা ফাতেমার সন্তান হওয়ার কারণে তাদেরকে তিনি ভালোবাসতেন। যেমনটি দেখা যায়, প্রত্যেক দাদা-দাদী, নানা-নানী নিজ দৌহিত্রদের সঙ্গে খুন-সুটি করে থাকেন। এমনটি আদৌ নয়। নবীজির ভালোবাসা কোনো আত্মীয়তার বন্ধনে বাঁধা পড়তো না। রক্ত ও আত্মীয়তার ব্যবধান ডিঙিয়ে তাঁর ভালোবাসা ছিলো প্রতিটি কোমলমতী শিশুর জন্যে। সব শিশুকেই তিনি সমান স্নেহের চোখে দেখতেন। আর ছেলেশিশু কি মেয়ে