শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ ।। ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৫ মহর্‌রম ১৪৪৮


‘ডিজিটাল নকল ঠেকাতে ৫ বছরের জেল, জিপিএ-৩ পেলেই ৫০০ টাকা প্রণোদনা’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ ও পাবলিক পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল মাধ্যমে নকল, ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং এবং অবৈধ পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রেখে ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রোটারি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘লিডার্স ট্রেনিং সেমিনার’ ও ‘ইনকামিং লিডার্স সেমিনার’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হয়। সে লক্ষ্যেই সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে পুনর্গঠন করছে। শুধু উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে দেশে ‘বেকারত্বের কারখানা’ তৈরি করা যাবে না। বরং তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি জানান, বর্তমান সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে আগামীতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই পাঠ্যবইয়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা অল্প বয়স থেকেই কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৩ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ৫০০ টাকা করে প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে এ অর্থ পাওয়ার জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত তিনজন নিরক্ষর মানুষকে সাক্ষরজ্ঞান দিতে হবে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘অক্ষরদান’ কর্মসূচির ধারণা থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একজন শিক্ষার্থী তিনজনকে অক্ষরজ্ঞান দিলে অল্প সময়ের মধ্যেই নিরক্ষরতা দূরীকরণে বড় ধরনের অগ্রগতি সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু সনদধারী শিক্ষার্থী তৈরি করা নয়; বরং এমন দক্ষ, মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তোলা, যারা দেশের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

আইও


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ