নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশব্যাপী সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে একদিনে পাঁচ জেলায় দ্বিবার্ষিক সম্মেলন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
শনিবার (১৮ জুলাই) কুড়িগ্রাম, যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঝিনাইদহ ও গোপালগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে পৃথক পৃথক স্থানে অনুষ্ঠিত এসব সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতারা প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন।
কুড়িগ্রাম জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা মডেল মসজিদ অডিটোরিয়ামে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন। সম্মেলন শেষে ২০২৭-২৮ সেশনের জন্য অধ্যক্ষ মাওলানা মো. নুর বখত (এম.ফিল) সভাপতি এবং মুফতি মোজাম্মেল হক আইমানীকে সেক্রেটারি ঘোষণা করা হয়।
যশোর জেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় পার্ক ভিউ কমিউনিটি সেন্টারে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) মুফতি আহমদ আব্দুল জলিল এবং ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাডভোকেট বাইজিদ হোসাইন।
একই দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) মাওলানা নুরুল করীম আকরাম।
ঝিনাইদহ জেলা শাখার সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) মুফতি আহমদ আব্দুল জলিল।
অন্যদিকে গোপালগঞ্জ জেলা শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী মহাসচিব কে এম আতিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ) ইঞ্জিনিয়ার মারুফ শেখ।
সম্মেলনগুলোতে কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও সুসংগঠিত করতে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার পাশাপাশি আদর্শভিত্তিক জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করতে হবে। তারা দেশ ও জনগণের কল্যাণে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
একই দিনে দেশের পাঁচটি জেলায় এ ধরনের সম্মেলন আয়োজনকে সংগঠনের সাংগঠনিক সম্প্রসারণ ও তৃণমূল কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ধারাবাহিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আওয়ার ইসলাম/জেডএম
