বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান

টানা বৃষ্টি আর কতদিন থাকবে, জানালো আবহাওয়া অফিস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ভোরবেলা থেকে শুরু হওয়া অবিরাম বৃষ্টি আজ রাজধানী ঢাকাসহ পুরো দেশের জনজীবনকে অচল করে তুলেছে। বুধবার(২৯ এপ্রিল) ভোরের আলো ফুটতেই যে বৃষ্টি শহরকে সতেজ করার কথা ছিল তা ক্রমশ ভোগান্তির রূপ ধারণ করেছে। সকাল থেকে শুরু হওয়া মুষলধারে এই বৃষ্টিপাত দিনভর অব্যাহত রয়েছে যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে চরম সংকট তৈরি করেছে। 

এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস বলা হয়, এই বৃষ্টির হাত থেকে সহসাই মুক্তি মিলছে না এবং পরিস্থিতি আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। 

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই অকাল বৃষ্টিপাত কেবল আজই শেষ হচ্ছে না। বরং আগামী পাঁচ দিন টানা এমন ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। আকাশজুড়ে মেঘের ঘনঘটা এবং বাতাসের ঝাপটা এই দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, দেশের প্রতিটি বিভাগেই এই ভারী বৃষ্টির প্রভাব পড়বে। কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে বজ্রপাত এবং দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এছাড়া শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বাতাসের গতিবেগ ও জলীয় বাষ্পের আধিক্য এই মেঘমালাকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে যা দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাওয়ায় আবহাওয়া অধিদপ্তর বিশেষ সতর্কতাও জারি করেছে। দেশের সকল সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এক নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রাখা হয়েছে। এছাড়া বন্দর এলাকায় কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে। সতর্কমূলক এই নির্দেশনার ফলে বন্দরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম কিছুটা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এই সংকেত মেনে চলা বাধ্যতামূলক।

এছাড়াও উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। 

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ