বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘উর্দুভাষী বাংলাদেশি’ হিসেবে স্বীকৃতি চায় আটকে পড়া পাকিস্তানিরা  জুনের আগেই স্থানীয় নির্বাচন সম্পন্ন হবে : ইসি  দাখিল পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলায় শাস্তি পাচ্ছেন ১১ শিক্ষক মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অপচেষ্টায় হেফাজতের নিন্দা ডা. জাকির নায়েকের সঙ্গে সাক্ষাৎ, বই উপহার দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ মাকসুদ কামাল নজরদারিতে, পালানোর সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর স্থানীয় নির্বাচন: ভোটকেন্দ্রের অচল সিসি ক্যামেরা সচলের নির্দেশ ইসির হাওরে হাঁস চড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে খামারির মৃত্যু কুষ্টিয়ায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১ নেপালের বন্যায় সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বালেন্দ্র শাহের কৃতজ্ঞতা 

লগি-বৈঠার তাণ্ডব: বিচারের চেয়ে নাটোরে জামায়াতের সমাবেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাটোর প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নাটোর শহর এবং সদর থানা শাখার উদ্যোগে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর  আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলীয় জোটের লগি-বৈঠার তাণ্ডবে দোষীদের বিচারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে নাটোর শহর এবং সদর থানা শাখার উদ্যোগে শহরের কানাইখালী পুরাতন বাস টার্মিনালে এই সমাবেশ হয়।

সদর থানা আমির মীর নুরুন্নবীর সভাপতিত্বে এবং শহর আমির রাশেদুল ইসলামের পরিচালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা আমির অধ্যাপক ড. মীর নুরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- নাটোর জেলা নায়েবে ইউনুস আলী, দেলোয়ার হোসেন খান, সেক্রেটারি সাদেকুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম রাসেল ও ড. জিয়াউল হক জিয়া।

প্রধান অতিথি বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের পথ ধরেই আওয়ামী লীগ দেশে যে সন্ত্রাসী রাজনীতি শুরু করেছিল তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। তখন থেকেই দেশকে রাজনীতিশূন্য করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা, ভোটাধিকারসহ মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়।

২৮ অক্টোবর ২০০৬ সালে পল্টনের বায়তুল মোকারম উত্তর গেটে জামায়াতে ইসলামীর শান্তিপূর্ণ জনসভায় আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় জোটের সন্ত্রাসীরা নারকীয় তাণ্ডব চালিয়ে তারা জামায়াতে ইসলামীর ১৪ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করে এবং শত শত নেতাকর্মীকে আহত করে। শুধু তাতেই ক্ষান্ত হয়নি, জামায়াত নেতাকর্মীদের হত্যা করে তারা লাশের উপর নৃত্য করেছিল। গোটা বিশ্ববাসী তা দেখেছিল।

২৮ অক্টোবরের নারকীয় গণহত্যার সাথে জড়িত খুনিদের বিচারের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, কিন্তু স্বৈরাচারী সরকার সেই মামলা প্রত্যাহার করে বিচারের পথ রুদ্ধ করে খুনিদের রক্ষা করেছিল। আমরা দাবি জানাই, ২৮ অক্টোবরের লগি বৈঠার তাণ্ডবের সাথে জড়িত সকলকে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে এবং গণহত্যার সাথে জড়িত দল হিসেবে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করতে হবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ