বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু যুদ্ধবিরতির কিছুক্ষণ পরই দক্ষিণ লেবাননে ফের হামলা ইসরায়েলের যুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে শত্রুরা অভ্যন্তরীণ বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইছে: মোজতবা খামেনি ঈদে সারাদেশের পশু কোরবানির সংখ্যা জানালেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কোরবানির পর অবিক্রিত প্রায় ৩০ লাখ পশু সীমান্তে বিএসএফের অবৈধভাবে ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেই খুলে দেওয়া হবে হরমুজ: ট্রাম্প রামিসা ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় রোববার তীব্র গরমের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা

লগি-বৈঠার তাণ্ডব: বিচারের চেয়ে নাটোরে জামায়াতের সমাবেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাটোর প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নাটোর শহর এবং সদর থানা শাখার উদ্যোগে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর  আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলীয় জোটের লগি-বৈঠার তাণ্ডবে দোষীদের বিচারের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে নাটোর শহর এবং সদর থানা শাখার উদ্যোগে শহরের কানাইখালী পুরাতন বাস টার্মিনালে এই সমাবেশ হয়।

সদর থানা আমির মীর নুরুন্নবীর সভাপতিত্বে এবং শহর আমির রাশেদুল ইসলামের পরিচালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা আমির অধ্যাপক ড. মীর নুরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- নাটোর জেলা নায়েবে ইউনুস আলী, দেলোয়ার হোসেন খান, সেক্রেটারি সাদেকুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম রাসেল ও ড. জিয়াউল হক জিয়া।

প্রধান অতিথি বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের পথ ধরেই আওয়ামী লীগ দেশে যে সন্ত্রাসী রাজনীতি শুরু করেছিল তা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। তখন থেকেই দেশকে রাজনীতিশূন্য করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা, ভোটাধিকারসহ মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়।

২৮ অক্টোবর ২০০৬ সালে পল্টনের বায়তুল মোকারম উত্তর গেটে জামায়াতে ইসলামীর শান্তিপূর্ণ জনসভায় আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় জোটের সন্ত্রাসীরা নারকীয় তাণ্ডব চালিয়ে তারা জামায়াতে ইসলামীর ১৪ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করে এবং শত শত নেতাকর্মীকে আহত করে। শুধু তাতেই ক্ষান্ত হয়নি, জামায়াত নেতাকর্মীদের হত্যা করে তারা লাশের উপর নৃত্য করেছিল। গোটা বিশ্ববাসী তা দেখেছিল।

২৮ অক্টোবরের নারকীয় গণহত্যার সাথে জড়িত খুনিদের বিচারের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, কিন্তু স্বৈরাচারী সরকার সেই মামলা প্রত্যাহার করে বিচারের পথ রুদ্ধ করে খুনিদের রক্ষা করেছিল। আমরা দাবি জানাই, ২৮ অক্টোবরের লগি বৈঠার তাণ্ডবের সাথে জড়িত সকলকে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে এবং গণহত্যার সাথে জড়িত দল হিসেবে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করতে হবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ