রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হচ্ছেন হেফাজত নেতা মাওলানা ইসলামাবাদী মসজিদে নববীতে রওজা জিয়ারত: প্রবেশের আদব, সালাম ও দোয়ার পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে আগামী নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৫ শিশুর  ওযু ছাড়া ছোট শিশুদের কুরআন স্পর্শে বাধা নেই, কী বলছে ফিকহ? ১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটক ভ্রমণে বাড়ছে আগ্রহ সৌদিতে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী বাবুই সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি মুনীরুল ইসলাম  জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা ১৭ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ, পাঁচ বছরে হাফেজ হলেন ফিনল্যান্ডের তরুণ

শুরু হচ্ছে ময়মনসিংহের কেওয়াটখালী স্টিল-আর্চ ব্রিজের কাজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আলী যুবায়ের খান, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহের বহুল প্রত্যাশিত ব্রহ্মপুত্র নদের উপর কেওয়াটখালী স্টিল-আর্চ ব্রিজের নির্মাণ কাজ এ বছরের অক্টোবরে শুরু হতে যাচ্ছে। ১ এক হাজার ১০০ মিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণ করতে প্রায় তিন বছর লাগবে।

মূল সেতুর ৩২০ মিটার অত্যাধুনিক স্টীল -আর্চ এবং ৭৮০ মিটার এপ্রোচ সেতু নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও ৫৫১ মিটার সড়ক ওভারপাস ও ২৪০ মিটার রেলওয়ে ওভারপাস এবং ৬.২০ কিলোমিটার SMVT (Slow Moving Vehicular Traffic) লেনসহ ৪-লেন মহাসড়ক নির্মাণ করা হবে।

এতে মূল সেতু সংলগ্ন একটি টোল প্লাজা ও বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হবে। ব্রিজ হেলথ মনিটরিং সিস্টেমের জন্য একটি ওয়াচ টাওয়ার থাকবে, সেইসাথে ইউটিলিটি ডাক্টও থাকবে। ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রস্তাবিত প্রকল্পটির সর্বমোট প্রাক্কলিত ব্যয় ৩ হাজার ২ শত ৬৩ কোটি টাকা যার মধ্যে মূল সেতুতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ১৭০ কোটি টাকা। ‘চায়না স্টেইট কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ এবং ‘স্পেক্ট্রা ইঞ্জিনিয়ারস, বাংলাদেশ’ এ দু’টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সমন্বয় করে কাজ করবে সেতুটির।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের ময়মনসিংহ জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো: শওকত আলী বলেন, কেওয়াটখালী সেতু হবে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম দৃষ্টিনন্দন স্টিল আর্চ সেতু। সেতুটি নির্মাণ হলে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাসমূহের মাঝে যোগাযোগ ব্যবস্থার আরো উন্নয়ন ঘটবে। ময়মনসিংহ অঞ্চলে অবস্থিত স্থলবন্দর, ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চলের সাথে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগ স্থাপন সুগম করবে। নতুন নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার পাশাপাশি উন্মোচিত হবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দ্বার। এর মাধ্যমে প্রসার ঘটবে এ অঞ্চলের পর্যটন খাত।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের ব্যপ্তির ফলশ্রুতিতে প্রকল্প এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং দেশের জাতীয় অর্থনীতি ও জিডিপিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

টিএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ