বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬ ।। ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আগস্টের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্টির হার ৬৬.৩%, সরকারের সার্বিক কর্মকাণ্ডে ৫৪.৫% কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিদের মৃত্যুতে খেলাফত মজলিসের শোক ‘মাদরাসা ছাত্রদের ওপর পুলিশি হামলা বিগত ফ্যাসিবাদী আচরণ স্মরণ করিয়ে দেয়’ দারুল আরকামের ছাত্রদের লাঠিচার্জের ঘটনায় ৩ পুলিশ প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি মরুর বুকে সত্যবাদী কিশোর ‘রহমতের ধর্মে তোমাকে স্বাগতম’—রবার্তো কার্লোসকে কাবার ইমামের অভিনন্দন ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৭১ গাজায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত ৬ টানা বৃষ্টিতে দারুল উলুম দেওবন্দের ‘বাবুজ জাহির’ ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত

‘জুলাই ঘোষণাপত্রে’ উপেক্ষিত আন্দোলন ও ইতিহাস অন্তর্ভুক্তির দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: রাকিবুল হাসান

আজ সোমবার (১১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিডিআর কল্যাণ পরিষদ, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশ গঠনতান্ত্রিক আন্দোলনের সমন্বয়করা দাবি জানিয়েছেন—৫ আগস্ট প্রকাশিত জুলাই ঘোষণাপত্রে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অবিলম্বে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

বক্তারা বলেন, ঘোষণাপত্র দেশনির্মাণ ও গণ-সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হলেও এতে কয়েকটি বড় আন্দোলন ও রাষ্ট্রীয় সহিংসতার অধ্যায় উপেক্ষিত হয়েছে, যা জাতীয় স্মৃতি ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

তাদের প্রস্তাবিত অন্তর্ভুক্তির দাবিকৃত ঘটনাগুলো হলো—
১. ১৯৪৭ সালের দেশভাগ ও মানবিক বিপর্যয়
২. বিডিআর হত্যাকাণ্ড (২০০৯)
৩. শাপলা গণহত্যা (২০১৩)
৪. কোটা সংস্কার আন্দোলন (২০১৮)
৫. নিরাপদ সড়ক আন্দোলন (২০১৮)

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ঘোষণাপত্রে অতীত সংগ্রাম ও শহীদদের স্মৃতিচারণ থাকলেও এই পাঁচটি অধ্যায় উপেক্ষিত হয়েছে। পাশাপাশি, এতে নেই ভবিষ্যতের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ—যেমন নির্বাচনের সময়সূচি, আইনি ও সাংবিধানিক সংস্কারের পরিকল্পনা, প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের প্রস্তাব, এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতার সীমা ও জবাবদিহিতা বিষয়ক স্পষ্ট নির্দেশনা।

বক্তারা সতর্ক করে বলেন, “জুলাই ঘোষণাপত্রকে পূর্ণাঙ্গ ও নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য করতে হলে এই পাঁচটি ঘটনাকে গণ-সংগ্রামের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। অন্যথায় এটি জনগণের নয়, শাসকের দলিল হয়ে থাকবে।”

বাংলাদেশ গঠনতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আমরা ইতিহাসকে বিকৃত হতে দেব না। আমাদের লক্ষ্য—সাম্য, ন্যায় ও মুক্তি—একই নথিতে প্রতিফলিত হবে।”

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ