বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬ ।। ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকের ১২২ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিল দ্বীনি চেতনা পরিষদ মধ্যপ্রাচ্যে আবারও উত্তেজনা: বাড়ছে তেলের দাম অবহেলায় মায়ের মৃত্যু, শাস্তির মুখে সেই যুগ্ম সচিব কিশোরগঞ্জে খেলাফত ছাত্র মজলিসে যোগ দিলেন ৩৬ শিক্ষার্থী শাহজালালে ১৫০ হাজির লাগেজ কাটার অভিযোগ, তদন্তে কর্তৃপক্ষ রুমিন ফারহানার মন্তব্যের নিন্দা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ইউরোপের বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি জনজীবনে নতুন সংকট তৈরি করবে: খেলাফত মজলিস গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সর্বপ্রথম রাজপথে নেমেছি আমরা: আমিরে মজলিস ড. খলিলুর রহমানকে ওআইসি মহাসচিবের অভিনন্দন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি ইসলামী আন্দোলনের

শুধু মায়ের পরিচয়ই যথেষ্ট: এটা মা, সন্তান ও সমাজের জন্য লজ্জার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি জিয়াউর রহমান।।

নতুন আইনে জন্মসনদে এখন থেকে শুধু মায়ের পরিচয়ই যথেষ্ট৷ বাবার পরিচয় জরুরি নয়৷ এটা একজন মায়ের জন্য যেমন লজ্জার৷ সন্তানের জন্যও লজ্জার৷ সমাজের জন্যও লজ্জার৷

এতে পরোক্ষভাবে ব্যভিচারকে অনুমোদন দেয়া হচ্ছে৷ অপরাধীরা অপরাধপ্রবণ হতে উৎসাহি হবে৷ কিয়ামতের আগে জারজ সন্তান ব্যাপক হবে৷ এই আইন জারজ সন্তান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে৷

জীব-জন্তুর পিতৃপরিচয় নেই৷ কিন্তু আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে পিতৃপরিচয় থাকা একজন সন্তানের আজন্ম অধিকার৷ নতুবা জীব-জানোয়ার আর মানুষের মধ্যে পার্থক্য থাকল কই৷

ইসলাম মায়ের সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছে৷ তবে কোন মায়ের? অবশ্যই বৈধ মায়ের৷ অবৈধভাবে সন্তান জন্ম দেয়া মায়ের নয়৷ তাই এই আইনটি বাতিল করা জরুরি৷ ঊর্ধতন মহল থেকে আওয়াজ উঠা প্রয়োজন৷

উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি ২০২৩ এ বিষয়ে হাইকোর্ট রায় দিয়েছে। বাংলাদেশে শিক্ষা ক্ষেত্রে সব ফরমে এখন থেকে অভিভাবকের ঘরে মা, বাবা অথবা আইনগত অভিভাবকের নাম লেখা যাবে বলে হাইকোর্ট রায় দিয়েছে।

সব ফরমে এই তিনটি বিকল্প বাধ্যতামূলকভাবে সংযুক্ত করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট। বাংলাদেশে ১৪ বছর আগে করা একটি রিটের চূড়ান্ত শুনাটি শেষে হাইকোর্ট এই রায় দিয়েছে।

আগে শিক্ষা ফরমে শুধু পিতার নাম থাকলেও ২০০০ সালে সেখানে মায়ের নাম লেখাও বাধ্যতামূলক করা হয়। কিন্তু হাইকোর্টের এই রায়ের ফলে এখন থেকে শুধুমাত্র মায়ের পরিচয়েও যেকোনো সন্তান শিক্ষার অধিকার পাবেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহের যে ফর্মগুলো আমাদের পূরণ করতে হয়, সেখানে আগে শুধু পিতার নাম লিখতে হতো।

"কিন্তু অনেক সন্তান আছে, যাদের ক্ষেত্রে শুধু পিতার নাম লেখা সম্ভব না। যেমন কেউ যদি রেপ ভিকটিমের সন্তান হয়- যেমন আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়েও তো এমন ঘটনা ঘটেছিল।

মি. দাশগুপ্ত বলেন, এখন থেকে অভিভাবক হিসাবে যার নাম লিখতে চাইবেন, তার নামই লেখা যাবে। সেটা পিতার নাম হতে পারে,মাতার নাম হতে পারে অথবা আইনগত অভিভাবকের নাম হতে পারে।

তিনি জানান, এখন থেকে ফরমে এই তিনজনের যে কোনো একজনের নাম ব্যবহার করা যাবে। সব শিক্ষা বোর্ডকে এজন্য ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি থেকে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খায়রুল আলমের বেঞ্চ এই রায় দিয়েছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ