বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে ইসলামী বইমেলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব: পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের আয়োজনে প্রতিবছর মতো এবারও বায়তুল মোকাররাম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে 'ইসলামি বইমেলা'। চলছে স্টল তৈরির কাজ। নেয়া হচ্ছে নানা প্রস্তুতি। এ বছরের মেলা উদ্বোধন করা হবে আগামী ১২ রবিউল আউয়াল ৮ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

জানা যায়, বহু প্রতীক্ষিত এই ইসলামী বইমেলা ১২ রবিউল আউয়াল থেকে শুরু হয়ে চলবে পুরো মাসব্যাপী। প্রতিদিন মেলা শুরু হবে সকাল ১০ থেকে স্টল খোলা থাকবে রাত ৮টা পর্যন্ত।

গত বছর রবিউল আউয়াল মাসে ইসলামী এই বইমেলাকে কেন্দ্র করে ইসলাম অঙ্গনে বেশ সাড়া পড়েছিল। ব্যাপক পাঠক প্রিয়তায় মেলা ৩ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সময় বাড়ানো হয় ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। শুরুর দিকে খুব বেশি প্রচার প্রচারণা এবং দর্শনার্থীদের উপস্থিতি না থাকলেও শেষ সময়ে বিভিন্ন ইসলামি ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি ও প্রচারণায় বেশ জমে ওঠে মেলাটি। ঢাকা ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে মেলায় এসে যোগ দেন বইপ্রেমীরা।

এদিকে, গত বছর ইসলামি বইমেলা নিয়ে পাঠক, প্রকাশক ও দর্শনার্থীদের উচ্ছ্বাস দেখে মেলা বিষয়ে ১০টি প্রস্তাবনার কথা জানায় তরুণ লেখকদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরাম।

প্রস্তাবনাগুলো হলো–

১. ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক ইসলামি বইমেলা পুরো রবিউল আউয়াল মাসব্যাপী আয়োজন করা।
২. মেলার স্থান-পরিধি আরো সম্প্রসারিত করা।
৩. ইসলামি ধারার যত অভিজাত ও প্রসিদ্ধ প্রকাশনী আছে সবগুলোকে মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া।
৪. মেলা চত্বরে লেখক কর্নার বা লেখক মঞ্চ রাখা।
৫. নতুন প্রকাশিত বইয়ের মোড়ক ও পাঠ উন্মোচনের জন্য জায়গা রাখা।
৬. শিশুতোষ বইয়ের আলাদা কর্নারের ব্যবস্থা করা
৭. সপ্তাহের অন্তত এক দিন শুধু নারী ও শিশুদের জন্য নির্ধারণ করা। (সেদিন মাহরাম পুরুষদের নিয়ে নারীরা মেলায় আসবেন)।
৮. মেলার প্রচার-প্রচারণায় কর্তৃপক্ষ আরো জোরাল ভূমিকা পালন করা।
৯. মিডিয়া সেলের ব্যবস্থা রাখা।
১০. তথ্য কেন্দ্র রাখা।

বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরামের প্রস্তাবনাগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখলে এই ইসলামী বইমেলা আরো জমজমাট হয়ে উঠবে এমনটাই আশা করছেন বিশ্লেষকরা।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ