বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ।। ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইরান অভিযানে বড় বাধা মার্কিন অস্ত্রের ঘাটতি: যৌথ বাহিনীর প্রধান কেইন এনআইডি সংশোধন ও হারানো কার্ড তুলতে নতুন ফি নির্ধারণ করলো ইসি গোল্ডকাপ ফুটবলে মাদরাসা ছাত্রীদের দল বাধ্যতামূলক নয়: শিক্ষামন্ত্রী ইসরায়েলি বাহিনীতে বিদ্রোহ, ঘাঁটি ছেড়ে পালাল শত শত সেনা আগস্ট মাসে জ্বালানি তেলের দাম কত বাইরের ফারেগদের ইফতা বিভাগে ভর্তি করবে না মাজাহিরুল উলুম সাহারানপুর এনসিপির কর্মসূচিতে হামলায় চিরতরে আলো হারাল সেই আলিফের এক চোখ এবার মাদরাসা পরিচালকদের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন কওমী ও ন্যাশনাল কারিকুলামের সমন্বিত শিক্ষাবোর্ড ইতমিনানের সাফল্য রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধার

উইঘুর মুস*লিমদের সাথে মানবতা*বিরোধী অপরাধ করেছে চীন: জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: জিনজিয়াংয়ের উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর চীন মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা।

জাতিসংঘের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রতিবেদনটি বুধবার (৩১ আগস্ট) প্রকাশ করা হয়েছে। চীন জাতিসংঘের প্রতিবেদনকে পশ্চিমা শক্তি দ্বারা সাজানো একটি প্রহসন বলে অভিহিত করেছে।

৪৫ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদন চীনকে অবিলম্বে বৈষম্যমূলক সমস্ত আইন বাতিল করতে বলা হয়েছে। বেইজিংকে স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত সকল ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

উইঘুররা মূলত মুসলিম তুর্কি সম্প্রদায়। যারা চীনের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী থেকে ধর্ম, ভাষা এবং সংস্কৃতিতে ভিন্ন। চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশ উইঘুর মুসলিম। এই প্রদেশটি তিব্বতের মত স্বশাসিত একটি অঞ্চল। বিদেশি মিডিয়ার ওপর এখানে প্রবেশের ব্যাপারে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু গত বেশ কয়েক ধরে বিভিন্ন সূত্রে খবর আসছে যে, সেখানে বসবাসরত উইঘুরসহ ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা ব্যাপক হারে আটকের শিকার হচ্ছে।

জাতিসংঘের তদন্তকারীরা বলেছেন, তারা জিনজিয়াংয়ে উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পেয়েছেন। যা মানবতাবিরোধী অপরাধ। চীন সংখ্যালঘুদের অধিকারকে দমন করার জন্য তাদের আটক করে রেখেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীন উইঘুর বন্দীদের ওপর যৌন নির্যাতন করে থাকে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের জোরপূর্বক চিকিৎসা ও জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য বল প্রয়োগ করা হয়।

জাতিসংঘ সুপারিশ করেছে, চীন যেন অবিলম্বে স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত সকলকে মুক্তি দেওয়ার পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

যদিও জাতিসংঘ বলেছে, চীন সরকার জিনজিয়াংয়ের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্দী শিবিরে কতজনকে আটক করেছে তা নিশ্চিত করা যায়নি। তবে তাদের ধারণা ১০ লাখের বেশি মানুষকে আটক করে রাখা হয়েছে।

জিনজিয়াংয়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বেশি উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের বসবাস। এর আগে, বেশ কয়েকটি দেশও জিনজিয়াংয়ে চীনের পদক্ষেপকে গণহত্যা বলে বর্ণনা করেছে। তবে বেইজিং-তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বার বার অস্বীকার করেছে। সূত্র: বিবিসি

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ