বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার চায় জমিয়ত রাত ১টার মধ্যে যেসব অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির শঙ্কা

হিজাব নিষিদ্ধের কারণে টিসি নিয়েছে ১৬ শতাংশ মুসলিম শিক্ষার্থী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভারতের কর্ণাটকে হিজাব নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিতর্কের কারণে ম্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয়ের (এমইউ) অধিভুক্ত কলেজগুলোতে অধ্যয়নরত ১৬ শতাংশ মুসলিম ছাত্রী টিসি নিয়েছে। যাদের মধ্যে কিছু অন্য কলেজে ভর্তি হয়েছে, আবার কিছু শিক্ষার্থী পড়াশুনা ছেড়ে দিয়েছে।

ম্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ কন্নড় ও উডুপি জেলার কলেজগুলোতে ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন কোর্সের জন্য ভর্তি হওয়া মোট ৯০০ জন মুসলিম ছাত্রীর মধ্যে ১৪৫ জন টিসি নিয়েছে। দক্ষিণ কন্নড় এবং উদুপি জেলায় ৩৯টি সরকারি এবং ৩৬টি এমপিওভুক্ত কলেজ রয়েছে। তথ্যে দেখা গেছে, সরকারি কলেজ থেকেই বেশি পরিমাণে টিসি নেওয়া হয়েছে।

মুসলিমদের হিজাবের অধিকার নিয়ে আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা গাউসিয়া ইউনিভার্সিটি কলেজ ম্যাঙ্গালুরুতে পঞ্চম সেমিস্টার পর্যন্ত অধ্যয়ন করেছেন।

তিনি তার কলেজ থেকে টিসি নিয়ে অন্য একটি বেসরকারি কলেজে ভর্তি হয়েছেন। তিনি বলেন, মুসলিম শিক্ষার্থীদের এমন অবস্থার জন্য দায়ী শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশ। তার রাজনীতিঘেষা নীতির কারণেই আজ মুসলিম মেয়েরা টিসি নিয়ে চলে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা সংবিধান অনুসারেই তাদের অধিকার চেয়েছিল। কিন্তু সরকারের নীতির কারণে অনেক মুসলিম শিক্ষার্থী শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

গেলো বছরের ডিসেম্বরে কর্ণাটকের একটি কলেজে কয়েকজন মুসলিম ছাত্রীকে হিজাব পরে ক্লাসে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। ১ জানুয়ারি ১ তারিখে কলেজ উন্নয়ন পরিষদ ক্যাম্পাসের ভেতরে হিজাব নিষিদ্ধ করার একটি আদেশ পাস করে।

এর কারণে মুসলিম শিক্ষার্থীরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়। ফেব্রুয়ারি নাগাদ রাজ্য জুড়ে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি আদালতেও যায়। কিন্তু সেখান থেকেও মুসলিম শিক্ষার্থীর পক্ষে রায় আসেনি। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ