শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

সৌদি যুবরাজকে ধন্যবাদ জানালেন নেতানিয়াহু!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইসরায়েল ও আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ চুক্তির ক্ষেত্রে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ভূমিকার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ক্ষমতায় গেলে মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি বিষয়ে আবারো সৌদি আরবের সাথে কাজ করবেন তিনি।

গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু এসব কথা বলেন। তিনি বলেছেন, আমরা চারটি দেশের সাথে শান্তি চুক্তি করেছি। এসব সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আমি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই।

গত বছর ক্ষমতাচ্যুত হওয়া এই প্রধানমন্ত্রী আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে আবারো ক্ষমতায় ফিরতে চান। আশা করছেন, জয়লাভ করলে তিনি আরব বিশ্বের সাথে সম্পর্কের আরো উন্নয়ন করবেন।

ওই সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আসন্ন আঞ্চলিক সফরকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তার এ সফর ইসরায়েলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ এখান (তেলআবিব) থেকে বাইডেন সৌদি আরব যাবেন। মধ্যপ্রাচ্যে আমরা যে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছি, এই সরাসরি ফ্লাইট তারই একটি উদাহরণ। আমাদের নীতি সত্যিই একটি নতুন মধ্যপ্রাচ্য তৈরি করেছে।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আমলে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তত্ত্বাবধানে আব্রাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো ও সুদান। এর ফলে দেশ চারটির সাথে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়।

নেতানিয়াহু বলেন, আগামীতে আমি সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলোর সাথেও বিস্তৃত পরিসরে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করতে চাই। আমি মনে করি, আমাদের পরবর্তী শান্তি চুক্তিগুলো আরব-ইসরায়েল দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাবে।

এদিকে সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দিলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ হচ্ছে এবং গোপন কূটনীতি কার্যক্রম চলছে।

২০২০ সালের নভেম্বরে আব্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের তিন মাস পর গোপনে ক্রাউন প্রিন্স সালমান ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সাথে দেখা করতে সৌদি আরবে উড়ে এসেছিলেন নেতানিয়াহু। সৌদি আরবের মেগাপ্রজেক্ট নিওমে গোপনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে মোসাদ প্রধান ইয়োসি কোহেনও উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: খবর মিডল ইস্ট আই

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ