শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

নামাজ পড়তে গিয়ে রিকশা হারানো অসহায় বৃদ্ধের পাশে চরমোনাই পীর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।কাউসার লাবীব।।

নামাজ পড়তে গিয়ে রিকশা হারানো নোয়াখালীর অসহায় বৃদ্ধের পাশে দাঁড়াচ্ছেন চরমোনাই পীর সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম।

জানা যায়, ‘নামাজ পড়তে গিয়ে রিকশা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন বৃদ্ধ তাজুল ইসলাম’ শিরোনামে আজ রোববার (৩ জুলাই) সকালে আওয়ার ইসলামে একটি নিউজ প্রকাশিত হয়। নিউজটি নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে শেয়ার দেন আওয়ার ইসলাম সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব। লেখেন, ‘অসহায় এই মানুষটির জন্য একটি রিকশা ঈদ উপহার হতে পারে।’

পোস্টটি শেয়ার করার মাত্র ১৫মিনিটের মাথায় আওয়ার ইসলাম সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি চরমোনাই পীর সাহেবের সফর সঙ্গী হয়ে নোয়াখালী যাচ্ছেন। চরমোনাই পীর ওই অসহায় বৃদ্ধকে একটা রিকশা বা তার সমমূল্য উপহার দেবেন।

প্রসঙ্গত, নোয়াখালী সদর উপজেলার এজবালিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বৃদ্ধ তাজুল ইসলাম। ৩০ বছর ধরে রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি। মেয়েদের বিয়েও দিয়েছেন রিকশা চালিয়েই। বর্তমানে একমাত্র প্রতিবন্ধী ছেলেরও দেখাশুনা করছেন তিনি। কিন্তু নামাজ পড়তে গিয়ে একমাত্র সম্বল রিকশাটি চুরি হয়ে যায় তার। জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন ঘটনায় অসহায় হয়ে পড়েছেন এই বৃদ্ধ।

তিনি বলেন, নোয়াখালী পৌরসভার পাশে রিকশা রেখে নামাজ পড়তে যাই। নামাজ পড়ে এসে দেখি রিকশা নেই। উপার্জনের একমাত্র সম্বল হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছি। কোনো দিন কারও কাছে হাত পাতিনি। এখন সংসার চালানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। সামনে ঈদ। কীভাবে কী করব বুঝতে পারছে না।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী নোয়াখালী টিভির পরিচালক রনি আওয়ার ইসলামকে জানান, ডান চোখে দেখতে পান না তাজুল ইসলাম। মেয়েদের বিয়ের ও গত এক মাস রিকশা চালাতে না পেরে বর্তমানে তার মাথায় লাখ টাকার ঋণ। শরীরটাও ভালো না। সব কিছু মিলিয়ে শারীরিক এবং মানসিক চাপে দিন কাটছে তাজুল ইসলামের। রিক্সা না পেলে না খেয়ে থাকার আশঙ্কায় আছেন তিনি।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ