শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কমিটিতে কারা ঠাঁই পেলেন, দেখুন তালিকা ছুটিতেও স্মার্টফোন থেকে দূরে, পুরস্কৃত জামিয়া রশীদিয়ার আড়াই হাজার শিক্ষার্থী ঐতিহাসিক সামরিক চুক্তিতে সই করল শক্তিশালী তিন মুসলিম দেশ জাতীয় মসজিদে জুমার বয়ানে দেওবন্দের মুহতামিমের পাঁচ নসিহত প্রকৃত সুখের একমাত্র পথ ঈমান ও সৎকর্ম: মসজিদে নববীর খতিব আল্লামা আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী জুনায়েদ জামশেদের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতিচারণায় মাওলানা তারিক জামিল সৎ, পরিশুদ্ধ ও আদর্শবান মানুষের হাতে ক্ষমতা দিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই টাওয়ার হ্যামলেটস স্পিকারের সঙ্গে সিলেট-৫ আসনের এমপির বৈঠক শায়খ আওয়ামার মোবারক সান্নিধ্যে

জাল জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স চক্র: গ্রেপ্তার ৫

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রাজধানীর মালিবাগ, বাসাবো, শাহজাহনপুর ও কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে গতকাল (সোমবার) পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। এরা একটি জালিয়াত চক্র। প্রতিদিন বিআরটিএ এবং নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে এরা টার্গেটে থাকত।

তারা মূলত জাল জাতীয় পরিচয়পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স বানিয়ে দিত। তাদের প্রধান টার্গেট বাইক রাইডাররা।

এছাড়াও বিভিন্ন পেশার মানুষ, সন্ত্রাসীও এই চক্রের কাছ থেকে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স সংগ্রহ করত বলে র‍্যাব প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে।

গ্রেফতার করা এই চক্রের সদস্যরা হলেন- গোলাম মোস্তফা (৬০), জালাল বাশার (৫৪), মুসলিম উদ্দিন (৬৫), মিনারুল ইসলাম মিন্নি (২২) এবং তারেক মৃধা (২১)।

তাদের গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার কারওয়ানবাজারে এক সংবাদ সম্মেলন করেন র‍্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। সেখানে এই চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তারা এমনভাবে এসব কার্ড তৈরি করত, প্রাথমিকভাবে ধরার কোনো সুযোগ থাকত না।’

মঈন জানান, ‘গোলাম মোস্তফা এই চক্রের হোতা। গত এক যুগ ধরে তিনি এ ধরনের অপরাধমূলক কাজ করে আসছেন। এ ছাড়া এদের আরেক সক্রিয় সদস্য বর্তমানে ওমরা করতে দেশের বাইরে রয়েছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই চক্রের সদস্যরা প্রতিদিন বিআরটিএ এবং নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে থাকত এবং লোকজনকে ‘টার্গেট’ করে তাদের কারবার চালাত। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তারা প্রচার চালাত- তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড র‍্যাবের সাইবার মনিটরিং সেলের নজরে আসে। পরে অনুসন্ধান শুরু করে র‌্যাব। এরপর চক্রটিকে গ্রেফতারে মাঠে নামেন র‌্যাব সদস্যরা।

র‌্যাব কমান্ডার বলেন, ‘যারা দ্রুত চাইতেন, তাদের টার্গেট করে অবস্থাভেদে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স দিত এই চক্রটি। অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারের বাইক চালকরা এই চক্রের প্রধান গ্রাহক।তাদের ফাঁদে পড়ে অনেকে প্রতারিত হলেও করার কিছু ছিল না। আবার অনেকে জেনে শুনে টাকা দিয়ে দ্রুত এসব জাল কাগজ সংগ্রহ করত।’

তিনি বলেন, গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে এসব কার্ড সরবরাহ করত চক্রটি। মাসে ৩০ থেকে ৫০টি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স তারা সরবরাহ করে আসছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন গোলাম মোস্তফা।

আল মঈন আরও বলেন, গোলাম মোস্তফা এইচএসসি পাশ। তিনি এক্সরে মেশিনের টেকনিশিয়ান। ২০১০ সালের দিকে তিনি ‘প্রতারণার ব্যবসায়’ জড়িয়ে পড়েন।একই অপরাধে বহুবার তিনি জেলও খেটেছেন। চক্রের সদস্যদের কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দিতেন তিনি। কয়েক বছর পরপর সদস্যদের পরিবর্তন করতেন মোস্তফা।’

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ