শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ।। ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’ দলীয়করণ ও রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধে ঐকমত্যের আহ্বান নেজামে ইসলাম পার্টির সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ধর্মমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি পরীক্ষা ছাড়া বেফাকের আর কাজ কী? কাল থেকে জিপিএস ছাড়া চলবে না গণপরিবহন

ভারত হাইকোর্টের হিজাব বিরোধী রায় দেশ ও মুসলিমদের জন্য ক্ষতিকর: মাওলানা মাহমুদ মাদানি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভারতের কর্নাটক হাইকোর্ট রায় দিয়েছে ইসলামে হিজাব অপরিহার্য নয়। এ রায়ের বিরোদ্ধে হঙ্কার দিয়েছেন জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা মাহমুদ মাদানি। তিনি বলেছেন, এই রায় দেশ ও মুসলিমদের জন্য ক্ষতিকর।

গতকাল মঙ্গলবার আদালতের বিতর্কিত রায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মাওলানা মাহমুদ মাদানি বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে। তার মতে- বাস্তবে কোনো সমাজ শুধু আইনের ওপর নির্ভর করে চলে না; বরং তা সামাজিকতা ও ঐতিহ্য উভয়টির দ্বারা গ্রহণযোগ্য হতে হয়।

তিনি বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে থাকবে, বিশেষত মুসলিম মেয়েদের শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সৃষ্টি করা এই পরিস্থিতিতে নিজেদের স্বাধীনতা ও নির্ভরতা হারিয়ে ফেলব।

মাওলানা মাদানি বলেন, ভারতে প্রাচীন কাল থেকেই সাংস্কৃতিকভাবে ও ঐতিহ্যগত দিকে থেকে এবং বিশষ করে মুসলিম নারীদের বিশ্বাস ও আকিদায় শত শত বছর ধরে হিজাব ও পর্দার প্রয়োজনীয়তা সাব্যস্ত। এরকম একটি বিষয়কে শুধু আদালতের রায়ের মাধ্যমে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।

তিনি করে বলেন, যে ধর্মের বিষয়ে রায় দেয়া হবে, সেই ধর্মের আকিদা ও বিশ্বাসের ফায়সালা ওই ধর্মের সংশ্লিষ্ট আলেম ও স্কলাররা দিবেন। আদালত এর মধ্যে নিজের তরফ থেকে পৃথক কৌশল ব্যবহার করতে পারে না।

মাওলানা মাহমুদ মাদানি প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, কোনো ধর্মের সাংস্কৃতিক, ঐতিহ্যগত ও বিশ্বাসের বিষয়গুলো সমুন্নতের দায়িত্ব পালন করুন।

আর যদি সমস্যার সমাধান আদালতের মাধ্যমে না হয়, তাহলে গণতন্ত্র এসেম্বলি ও পার্লামেন্টকে আইন প্রণয়নের অধিকার দিয়েছে। তাই জাতীয় স্বার্থে আইনী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভূমিকা রাখতে হবে।

তবে মুসলিম যুবকদের তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ না করে এবং আইনকে নিজের হাতে না তুলে নিয়ে; বরং এগুলো এড়িয়ে দৃঢ়তার সাথে ধৈর্য ধারন করো। সূত্র: মিল্লাত টাইমস

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ