বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

কর্ণাটকে বহুল প্রতীক্ষিত হিজাব মামলার রায় আজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভারতের কর্ণাটকের আলোচিত হিজাব বিতর্কের বিষয়ে রায় আজ ঘোষণা করা হবে। কর্ণাটকের হাইকোর্ট চলতি বছরের শুরুতে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক তৈরি করা এই ইস্যুতে রায় ঘোষণা করবেন।

রায়ের আগে পূর্ব সতর্কতা হিসেবে রাজ্য সরকার ‘জনশান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে’ রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে এক সপ্তাহের জন্য সব ধরনের বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে। সোমবার এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

উদুপির একদল ছাত্রী আদালতে রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মাথায় হিজাব ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছিলেন। শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল—শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাথার স্কার্ফ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা যায় এমন কোনো আইন দেশে নেই।

তাদের যুক্তি ছিল, তাদের হিজাব সংবিধানপ্রদত্ত ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার’ অধীনে সুরক্ষিত। জনশৃঙ্খলা লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো কলেজের কর্তৃপক্ষ এটি নিষিদ্ধ করা যেতে পারে না।

এদিকে, কর্ণাটক সরকারও আদালতকে বলেছে, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা সাপেক্ষে যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ ছাড়া ভারতে হিজাব পরার ওপর কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা নেই।

গত জানুয়ারিতে উদুপির একটি স্কুলের ছাত্রীরা শিক্ষকদের নির্দেশ থাকার পরও হিজাব ব্যবহার বাদ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তখন থেকেই এই হিজাব বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এর পর পাঁচ শিক্ষার্থী বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন।

বিষয়টি সেখানেই থেমে থাকেনি। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হিজাব পরার বিরোধিতা করে ছাত্রদের একটি অংশ গেরুয়া ওড়না প্রতিবাদ জানিয়েছিল। তাদের যুক্তি ছিল—এটিও তাদের ধর্মীয় পরিচয়। অপরদিকে, দলিত ছাত্ররা হিজাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে নীল রঙের স্কার্ফ ব্যবহার করেছিল।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ