মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬ ।। ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৩ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে চীন সফরে যাচ্ছেন ৪ এমপি সৎ ও আদর্শবান ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন করুন: পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামী ব্যাংক, জামায়াতে ইসলামী কোনোটাই ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে ইমামদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্য আস-সুন্নাহর ৬ মাসের ইসলামিক স্টাডিজ কোর্স সীমান্তের ৮ পয়েন্ট দিয়ে শতাধিক নাগরিককে পুশইনের অপচেষ্টা বিএসএফের আমরা কেন মওদুদি সাহেবের বিরোধিতা করি-১ মধ্যরাতের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ‘বেকারত্বের অভিশাপ মোচনের বাজেট ঘোষণা করুন’ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনের সময় জানালো ইরান

আওয়ামী লীগ ইনডেমনিটি দেয় না: সমালোচনার জবাবে আইনমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নির্বাচন কমিশন গঠন আইনে দায়মুক্তির বিধান থাকছে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এ নিয়ে সমালোচনার জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ইনডেমনিটি দেয় না, এটা জানা উচিৎ। এখানে কাউকে ইনডেমনিটি দেওয়া হয়নি’।

আজ সোমবার সংসদীয় কমিটির বৈঠকে অংশ নেওয়া আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে সাংবাদিকরা এ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি প্রথমেই দায়মুক্তির বিষয়ে আওয়ামী লীগের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।

আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পরীক্ষা করে দুটি স্থানে পরিবর্তনের সুপারিশ করে এদিনই বিলটি ফেরত দিয়েছে।

সংসদে উত্থাপিত বিলে বলা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ইতোপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির ও তৎকর্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলি এবং উক্ত অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ ছিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য বিএনপির রুমিন ফারহানা বলেন, আইনের ৯ ধারায় ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছে। এটা আইনের ‘বেসিক কনসেপ্টের’ পরিপন্থি। রেস্ট্রোসপেকটিভ ইফেক্ট দেওয়া আইনের চোখে কখনো ভালো চোখে দেখা হয় না।

এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ইনডেমনিটি কারা দিয়েছিল? ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স কারা করেছিল? বরং আওয়ামী লীগই ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করেছিল।

ইসি নিয়োগের আইনটি নিয়ে তিনি বলেন, আইনে দুটো জিনিস আছে। একটা হচ্ছে ইনডেমনিটি আর একটা হচ্ছে লিগ্যাল কাভারেজ। দুটো কিন্তু এক জিনিস না। ইনডেমনিটি হচ্ছে মাফ করে দেওয়া, তাদের আইনের আওতা থেকে বের করে দেওয়া। লিগ্যাল কাভারেজ হচ্ছে আইনের ভেতরে আনা। দফা ৯ এ পরিষ্কারভাবে পড়ে দেখেন, কারও কৃতকর্মকে ইনডেমনিটি দেওয়া হয় নাই।

এই আইন করার ক্ষেত্রে তড়িঘড়ি এবং গোপনীয়তার যে অভিযোগ উঠেছে, তাও নাকচ করেন আনিসুল হক।

তিনি বলেন, যখনই আইনটি কেবিনেটে পাস হয়েছে তাৎক্ষণিক ল’ লেজিসলেটিভ বিভাগের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। আর এটা নিয়ে আলাপ আলোচনা হচ্ছে। আমি তো বুঝলাম না এখানে গোপনীয়তা কী? আর আমরা এত বোকা না, এই আইনটা গোপন করে আমার কী লাভ?

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ