মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬ ।। ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৩ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চিকিৎসকদের বিসিএসে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর সুপারিশ তেল, গ্যাস, সার, বিদ্যুতে অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রয়োজন ৪২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ডেপুটি স্পিকারের নেতৃত্বে চীন সফরে যাচ্ছেন ৪ এমপি সৎ ও আদর্শবান ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন করুন: পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামী ব্যাংক, জামায়াতে ইসলামী কোনোটাই ইসলাম নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুন্সীগঞ্জে ইমামদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা জেনারেল শিক্ষার্থীদের জন্য আস-সুন্নাহর ৬ মাসের ইসলামিক স্টাডিজ কোর্স সীমান্তের ৮ পয়েন্ট দিয়ে শতাধিক নাগরিককে পুশইনের অপচেষ্টা বিএসএফের আমরা কেন মওদুদি সাহেবের বিরোধিতা করি-১ মধ্যরাতের মধ্যে ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

বাংলাদেশে নতুন করে বেকার হবে ৩৬ লাখ মানুষ: আইএলও

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দুই বছর ধরে করোনার বিস্তার এবং নতুন ধরন ওমিক্রনের ধাক্কায় চলতি বছর বাংলাদেশে নতুন করে বেকার হবে ৩৬ লাখ মানুষ। পাশাপাশি বিশ্বে বেকারের সংখ্যা ছাড়াবে ২০ কোটি ৭০ লাখ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা-আইএলওর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রায় দু’বছরের করোনা মহামারির কারণে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া ধীর হয়েছে। সেসাথে, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় মানুষ কাজ পাচ্ছে না, আবার কর্মচ্যুতও হচ্ছেন। ফলে বেড়েছে বেকারত্ব।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা-আইএলও বলছে, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা মহামারি ও নতুন ধরন ওমিক্রনের ধাক্কায় চলতি বছরের শেষে বিশ্বে বেকার মানুষের সংখ্যা বেড়ে হবে ২০ কোটি ৭০ লাখ। মহামারি শুরুর আগে ২০১৯ সালের তুলনায় এ সংখ্যা ২ কোটি ১০ লাখ বেশি। সম্প্রতি সংস্থাটির প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সোস্যাল আউটলুক’ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে নতুন করে বেকার হবে ৩৬ লাখ মানুষ। বাংলাদেশের শ্রম শক্তির প্রায় ৫ শতাংশ বেকার থাকবে। মহামারির পূর্বে অর্থাৎ ২০১৯ সালে এই হার ছিল ৪.৪ শতাংশ। চলতি বছর তা বৃদ্ধি পেয়েছে ০.৬ শতাংশ।

আইএলও বলছে, ২০২২ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় ৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বেকার থেকে যাবে। এর মানে, সারা বিশ্বের বেকারদের মধ্যে প্রতি চারজনে একজন হবে দক্ষিণ এশীয়। তবে সংস্থাটি বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানের অবস্থা তুলানামূলক ভালো থাকবে।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার মহাসচিব গাই রাইডার বলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সোচ্চার পশ্চিমা দেশগুলো। সে তুলনায় পিছিয়ে আছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকা। তাই আসন্ন এ পরিস্থিতিতে ব্যাপক চাকরির সুযোগ তৈরি হয় এমন খাতগুলোয় বিনিয়োগ করা উচিৎ।

মহামারির গতিপথ ও সময়কাল সম্পর্কে অনিশ্চয়তার কারণে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চাকরির বাজারে এই অনিশ্চয়তা থাকবে বলে আশঙ্কা করছে আইএলও। যেখানে নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও কমতে পারে বলে আশংকা আর্ন্তজাতির্ক শ্রমসংস্থার।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ