আওয়ার ইসলাম: কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতা। পঞ্চম ধাপের ভোট ঘিরে এই সহিংসতা অরো ছড়িয়ে পড়ছে।
ঝিনাইদহে শুক্রবার শৈলকূপায় বিদ্রোহী প্রার্থীর ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন একজন। আহত বেশ কয়েকেজন। এছাড়া কুমিল্লা, চাঁদপুরেও হয়েছে হানাহানি।
পঞ্চম ধাপে ইউপি নির্বাচেনে ভোট ৫ জানুয়ারি। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, সহিসংতা ছড়াচ্ছে তত। ঝিনাইদহের শৈলকূপায় শুক্রবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহমুদুল হাসান মামুন ও বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার কায়সার টিপুর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়।
শনিবার বিকালে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর এক সমর্থকে ছুরি দিয়ে হত্যা করে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকরা। বাড়িঘরে চালানো হয়েছে ভাংচুর। পুলিশ বলছে, ভোটারের শঙ্কা দূর করতে করতে সব পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে নৌকা প্রার্থীর নির্বাচনি অফিসে হামলা চালিয়েছে প্রতিপক্ষরা। এসময় আহত হয় ৬ জন। শনিবার, সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা ওই অফিস পরিদর্শনে গেলে সেখানে অতর্কিতে হামলা চালায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা।
এদিকে, চাঁদপুরের হাইমচরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকা ও বিদ্রোহ প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের ৮টি নির্বাচন কার্যালয় ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন, আইন শৃংখলা বাহিনী, সবার উদ্যোগ আর সতর্ক অবস্থানের পরেই ইউপি নির্বাচনে থামছে না হানাহানি।
-এটি