বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


একুশে হারালাম যে অভিভাবকদের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নুরুদ্দীন তাসলিম।।

করোনা, লকডাউন, বিধি-নিষেধ, ঘর বন্দী জীবন, অজানা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্ক- ২০২০ সালে শুরু হওয়া এই বিষাদের ছাপ ছিল ২০২১-এর বেশ কিছু অংশ জুড়ে। এর মধ্যেই ঘটে গেছে কত ঘটনাপ্রবাহ। চোখে অশ্রু ঝরিয়ে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন বরেণ্য আলেম, ইসলামী চিন্তাবিদ, রাজনৈতিক, গবেষক, লেখক ও সাংবাদিকদের অনেকেই।

২০২০ এর মত এ বছরেও বর্ষীয়ান আলেমদের ইন্তেকাল বেশ ধাক্কা দিয়েছে ইসলামি অঙ্গনকে। ২১- এ হারানো বরেণ্যজনদের নিয়েই বছরান্তে স্মৃতিমন্থনের এই আয়োজন। আজ পাঠকের জন্য রইল চার পর্বের এই প্রতিবেদনটির প্রথম পর্ব।


শায়খুল ইসলাম সায়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী রহ. এর সর্বশেষ খলিফা  আল্লামা আব্দুল হালিম ইসলামাবাদী রহ.

২০২১- এর একেবারে শুরুতে  ৩জানুয়ারি শোক বার্তা নিয়ে আসে শায়খুল ইসলাম সায়্যিদ হুসাইন আহমদ মাদানী রহ. এর সর্বশেষ খলিফা আল্লামা আব্দুল হালিম ইসলামাবাদী রহ.-এর ইন্তেকালের খবর।

বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে  ৩ জানুুয়ারি (রোববার) রাত ১০টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়াস্থ তেওয়ারিখীল গ্রামে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

আল্লামা আব্দুল হালিম ইসলামাবাদীর জন্মভূমি আনোয়ারা উপজেলা পীরখাইন গ্রামে। তিনি হুসাইন আহমদ মাদানী রহ. এর ৩৯ তম ও সর্বশেষ খলিফা ছিলেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিয়ানমার শায়খুল হাদিসের ইন্তেকাল

বাংলাদেশের কক্সবাজারে অবস্থিত রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে অবস্থানকালীন সময়ে নিরবে নিভৃতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মিয়ানমারের প্রবীণ আলেম ও শায়খুল হাদিস মুফতি কারি মুহাম্মদ ইরশাদ হুসাইন কাসেমি ইন্তেকাল করেন ১৮ জানুয়ারি (সোমবার)।

মুফতি ইরশাদ হুসাইন কাসেমি ছিলেন মিয়ানমারের প্রবীণ আলেম ও কারি। এক সময় তিনি বার্মার সরকারি চ্যানেলে পবিত্র কুরআনুল কারিম তেলাওয়াত করতেন।

রোহিঙ্গাদের ওপর সামরিক জান্তার অমানবিক নির্যাতনের সময় তার নাগরিত্ব বাতিল করে তাঁর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে নিরূপায় হয়ে তিনি বাংলাদেশে হিজরত করতে বাধ্য হন। ১১০ বছর বয়সী এ প্রবীণ আলেম বার্মার মংগডুর অধিবাসী ছিলেন। তিনি আরাকান মুসলিমদের একজন প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতা ছিলেন।

মুফতি ইরশাদ হুসাইন কাসেমি ভারতের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনা সম্পন্ন করেন। পড়ালেখা শেষ করে তিনি আরাকানের মুংগডুতে জামিয়াতুল আশরাফিয়ার শাইখুল হাদিস হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। এক সময় বার্মার সরকারি চ্যানেলে কুরআন তেলাওয়াতের জন্য নির্বাচিত হন এবং দেশটির বিখ্যাত কারি হিসেবে সরকারি চ্যানেলে নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত করতেন।

লালবাগের প্রবীণ উস্তাদ মাওলানা আব্à