শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সিলেবাসের মৌলিকত্ব ঠিক রেখে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা দরকার’ দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমতের স্বীকৃতি পেলেন মুফতি আব্দুল কাইয়ুম বাংলাদেশের হজ কোটা বাড়ল আরও ৫ হাজার, মোট ৮৩ হাজার ৫০০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর, পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর হেরা গুহার আলো শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে শায়খুল কুরআন ফাউন্ডেশনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি ছাত্র জমিয়তের ৫৬ দিনের দাওয়াতি ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু শুক্রবার মাদরাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে শাপলা গণহত্যার বিচারকাজে রেফারেন্স বই হিসেবে ‘শহীদনামা’ গ্রহণ

মেয়েদের বিয়ে দেওয়া উচিৎ ১৬ বছরেই: ভারতীয় সাংসদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন দেশটির উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টির একের পর এক সাংসদ। মন্তব্য করেছেন আবু আজমি, শফিকুর রহমান বকর। এবার একই পথে হেঁটে মন্তব্য করলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ এসটি হাসান।

তার বক্তব্য,  ১৬ বছর বয়সে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া উচিত।

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে হাসান বলেন, ‘নারীদের প্রজননের বয়স ১৬-১৭ বছর থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত। ১৬ বছর বয়স থেকেই বিয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করে। বিয়েতে দেরি হলে এর দুটি ক্ষতি হয়, একটি হল বন্ধ্যাত্বের সম্ভাবনা। দ্বিতীয়টি হল যখন একজন বৃদ্ধ হয়ে যায়, তখনও সন্তানরা নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে না। এমনকি আপনি যখন আপনার জীবনের শেষ দশকে আছেন, তখনও আপনার সন্তানেরা ছাত্রই থেকে যায়। আমরা প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াকে ভেঙে দিচ্ছি’।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি একমত যে একটি মেয়ে যখন পরিণত হয় এবং প্রজনন বয়সে পৌঁছায়, তখনই তার বিয়ে করা উচিত। একটি মেয়ে ১৬ বছর বয়সে পরিপক্কতা অর্জন করলে, তাকে ১৬ বছর বয়সেই বিয়ে করা যেতে পারে। তিনি যদি ১৮ বছর বয়সে ভোট দিতে পারেন তবে কেন তিনি বিয়ে করতে পারবেন না? শিশুরা যখন বড় হয়, তখন তারা অশ্লীল ভিডিও এবং ছবি দেখতে শুরু করে তখন শৃঙ্খলাহীনতা বাড়ে’।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ