শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘কওমি সিলেবাসের মৌলিকত্ব ঠিক রেখে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা দরকার’ দীর্ঘদিনের দ্বীনি খেদমতের স্বীকৃতি পেলেন মুফতি আব্দুল কাইয়ুম বাংলাদেশের হজ কোটা বাড়ল আরও ৫ হাজার, মোট ৮৩ হাজার ৫০০ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর, পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর হেরা গুহার আলো শিশুদের প্রতি নবীজির স্নেহ: আমাদের অনুকরণীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধে শায়খুল কুরআন ফাউন্ডেশনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি ছাত্র জমিয়তের ৫৬ দিনের দাওয়াতি ও সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু শুক্রবার মাদরাসাছাত্র আরিফ হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে শাপলা গণহত্যার বিচারকাজে রেফারেন্স বই হিসেবে ‘শহীদনামা’ গ্রহণ

উইঘুর মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যা সংঘটিত করেছে চীন: স্বাধীন ট্রাইব্যুনাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যা সংঘটিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি অনানুষ্ঠানিক স্বাধীন ট্রাইব্যুনাল বৃহস্পতিবার এ রুল দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

উইঘুরদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত জন্মনিয়ন্ত্রণ ও বন্ধ্যকরণ ব্যবস্থার কারণে প্রাথমিকভাবে এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালের প্যানেলটি আইনজীবী ও শিক্ষাবিদদের নিয়ে গঠিত হয়। ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে সভাপতিত্ব করেন প্রখ্যাত ব্রিটিশ আইনজীবী স্যার জিওফ্রে নাইস। তিনিই ট্রাইব্যুনালের রুল পড়ে শোনান।

জিওফ্রে নাইস বলেন, উইঘুর ও অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দীর্ঘ মেয়াদে কমানোর জন্য চীন একটি ইচ্ছাকৃত, পদ্ধতিগত ও সমন্বিত নীতির প্রয়োগ করেছে বলে এই প্যানেলের কাছে সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের প্যানেল বিশ্বাস করে- চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংসহ দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জিনজিয়াং অঞ্চলে মুসলিম সংখ্যালঘুদের নির্যাতন-নিপীড়নের প্রাথমিক দায় বহন করেন।

ট্রাইব্যুনালের প্যানেল আরও বলেছে, তারা উইঘুর জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ, নির্যাতন ও যৌন সহিংসতা সংগঠনের প্রমাণ পেয়েছেন।

অনানুষ্ঠানিক স্বাধীন এই ট্রাইব্যুনালের রুলের কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই।

তবে চীন সরকার জিনজিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ট্রাইব্যুনালের রুলিংয়ের প্রতিক্রিয়ায় চীনের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, এটি একটি মেকি ট্রাইব্যুনাল। জনগণকে প্রতারিত ও বিভ্রান্ত করার জন্য কিছু চীনবিরোধী গোষ্ঠীর ব্যবহৃত একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার এই ট্রাইব্যুনাল।

দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জিনজিয়াংয়ের বিভিন্ন বন্দিশালায় ১০ লাখের মতো লোককে (যাদের বেশিরভাগ উইঘুর জনগোষ্ঠীর) চীন আটকে রেখেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন ও সাবেক বন্দিরা এই বন্দিশালাগুলোকে নাৎসি জার্মানির সময়কার ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের’ সঙ্গে তুলনা করেছে।