বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৫ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘শের’ দ্বারা রুমিন ফারহানার অভিযোগের জবাব দিলেন জুনায়েদ আল হাবীব  এক মাস ধরে খোঁজ মিলছে না মাদরাসা ছাত্র মোমিনের ৮ মাস পালিয়ে থাকা ও দেশ ছাড়া নিয়ে মুখ খুললেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়লে উপসাগরীয় অঞ্চলে বিপর্যয় ঘটতে পারে: কাতার ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে রাশিয়ার কড়া সতর্কবার্তা সংবিধান সংস্কারে গণভোট : স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ: মির্জা ফখরুল সুতার মোজার ওপর মাসাহ—শরঈ বিধান কী বলছে? মেধা বিকাশের অনন্য ঠিকানা ‘জামিআ ইসলামিয়া বাইতুল আমান’

মুসান্নিফ বা লেখকের ঈসালে সওয়াবের এই বিষয়টি কখনো কি ভেবেছি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আবু বকর সাদী: মুসলমান মাত্রই আমরা বিশ্বাস করি যে, কোন মাইয়্যেতের জন্য সওয়াব রেসানি করলে, সেটা তিনি কবরে পান। আমরা মৃত নিকটাত্মীয়দের জন্য দুআ করে থাকি। নফল ইবাদত করে তার সওয়াব কবরে প্রেরণের আমল করে থাকি। আর করবই না কেনো? এটা তো তাদের হক!

কিন্তু একটি জায়গায় আমরা খুব উদাসীন। সেটা হল, আমাদের পড়া কিতাবের মাতিন ও শারিহের জন্য দুআ করা। সত্যি করে বলুন তো, আমরা ক'জন এই আমল করে থাকি?

মা বাবা যেমন আমার অভিভাবক, ঠিক তেমনিভাবে শিক্ষকগণও আমার অভিভাবক। তবে যার কাছে কিতাবাদি পড়ে আলেম হয়েছি, তাদের জন্য মাঝে মধ্যে আমরা দুআ করি। কিন্তু যার কিতাব পড়ে আলেম হয়েছি বা জেনেছি, তার জন্য কি দুআ করি?

পঞ্চাশ টাকার একটি বই পড়ে, ওয়াজ করে পঞ্চাশ হাজার টাকা উপার্জন করছি। কখনো কি সেই আনন্দে একটি টাকাও সেই মুসান্নিফের জন্য সদকা করেছি? যে যাই বলুক, আমার কাছে বিষয়টা অসৌজন্যমূলক ও অকৃজ্ঞতা মনে হয়।

তাই নুরানী থেকে বুখারি পর্যন্ত বা আরো যত মুসান্নিফগণ আছেন তাদের জন্য অবশ্যই দুআ করবেন। এটি আমাদের উপর তাদের হক। কেননা তাদের সারাজীবনের মেহনতের একেকটি রেসালা আমরা এক বছরেই পড়ার সুযোগ পাচ্ছি। তারা যদি এই মেহনত না করতেন, কী অবস্থা হত আমাদের? আল্লাহ আমাদের এই বিষয়টির উপর আমল করার তাওফিক দিন। আমিন।

লেখক- প্রিন্সিপাল, মারকাযুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ