রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ।। ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কুরআনের হিফজ সম্পন্ন করায় আমানাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ভারতের আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ৮ জনের মৃত্যু  ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়েও ‘হেদায়েত’ করা গেল না তাকে! জমিয়তের খাস কমিটির বৈঠক, ত্রাণ ফান্ডে সহযোগিতার আহ্বান ‘ইসলামি গবেষণাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে’ ইসলামী আন্দোলনের লালমনিরহাট জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ‘জুলাই চেতনার কথা বলে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চালানো দ্বিচারিতা’ বন্যা দুর্গতদের পাশে আলেম, ইসলামি সংগঠন ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো ইমামুল হিন্দের নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস অন্যায়: মাওলানা আরশাদ মাদানী ‘আল-মুঈন ত্রাণ তহবিলে’ উদারহস্তে সহযোগিতার আহ্বান হাটহাজারীর মুহতামিমের

মুসান্নিফ বা লেখকের ঈসালে সওয়াবের এই বিষয়টি কখনো কি ভেবেছি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আবু বকর সাদী: মুসলমান মাত্রই আমরা বিশ্বাস করি যে, কোন মাইয়্যেতের জন্য সওয়াব রেসানি করলে, সেটা তিনি কবরে পান। আমরা মৃত নিকটাত্মীয়দের জন্য দুআ করে থাকি। নফল ইবাদত করে তার সওয়াব কবরে প্রেরণের আমল করে থাকি। আর করবই না কেনো? এটা তো তাদের হক!

কিন্তু একটি জায়গায় আমরা খুব উদাসীন। সেটা হল, আমাদের পড়া কিতাবের মাতিন ও শারিহের জন্য দুআ করা। সত্যি করে বলুন তো, আমরা ক'জন এই আমল করে থাকি?

মা বাবা যেমন আমার অভিভাবক, ঠিক তেমনিভাবে শিক্ষকগণও আমার অভিভাবক। তবে যার কাছে কিতাবাদি পড়ে আলেম হয়েছি, তাদের জন্য মাঝে মধ্যে আমরা দুআ করি। কিন্তু যার কিতাব পড়ে আলেম হয়েছি বা জেনেছি, তার জন্য কি দুআ করি?

পঞ্চাশ টাকার একটি বই পড়ে, ওয়াজ করে পঞ্চাশ হাজার টাকা উপার্জন করছি। কখনো কি সেই আনন্দে একটি টাকাও সেই মুসান্নিফের জন্য সদকা করেছি? যে যাই বলুক, আমার কাছে বিষয়টা অসৌজন্যমূলক ও অকৃজ্ঞতা মনে হয়।

তাই নুরানী থেকে বুখারি পর্যন্ত বা আরো যত মুসান্নিফগণ আছেন তাদের জন্য অবশ্যই দুআ করবেন। এটি আমাদের উপর তাদের হক। কেননা তাদের সারাজীবনের মেহনতের একেকটি রেসালা আমরা এক বছরেই পড়ার সুযোগ পাচ্ছি। তারা যদি এই মেহনত না করতেন, কী অবস্থা হত আমাদের? আল্লাহ আমাদের এই বিষয়টির উপর আমল করার তাওফিক দিন। আমিন।

লেখক- প্রিন্সিপাল, মারকাযুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ