শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৫ মাঘ ১৪৩২ ।। ১১ শাবান ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘আমরা বিদায় নিতে প্রস্তুত, অনেক উপদেষ্টা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন’ শেরপুরে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় ইউএনও–ওসি প্রত্যাহার এআই ব্যবহৃত কোরআনের ব্যাখ্যা অগ্রহণযোগ্য, মিশরের গ্র্যান্ড মুফতি দ্বিতীয়বারের মতো চাঁটিগাও বিজয় দিবস পালিত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনকালীন ছুটি বাস্তবায়নে চিঠি তাইসির থেকে তাকমিল পর্যন্ত ভর্তি নিচ্ছে জামেআ আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, প্রার্থীকে বহিষ্কার করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ‘একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনে ইমামদের ভূমিকা অনস্বীকার্য’ ৫৪ বছরের ব্যর্থতার পরে ইসলামকে সুযোগ দিন: পীর সাহেব চরমোনাই ফাজিল পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৯৩.৬৩ শতাংশ

মুসান্নিফ বা লেখকের ঈসালে সওয়াবের এই বিষয়টি কখনো কি ভেবেছি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আবু বকর সাদী: মুসলমান মাত্রই আমরা বিশ্বাস করি যে, কোন মাইয়্যেতের জন্য সওয়াব রেসানি করলে, সেটা তিনি কবরে পান। আমরা মৃত নিকটাত্মীয়দের জন্য দুআ করে থাকি। নফল ইবাদত করে তার সওয়াব কবরে প্রেরণের আমল করে থাকি। আর করবই না কেনো? এটা তো তাদের হক!

কিন্তু একটি জায়গায় আমরা খুব উদাসীন। সেটা হল, আমাদের পড়া কিতাবের মাতিন ও শারিহের জন্য দুআ করা। সত্যি করে বলুন তো, আমরা ক'জন এই আমল করে থাকি?

মা বাবা যেমন আমার অভিভাবক, ঠিক তেমনিভাবে শিক্ষকগণও আমার অভিভাবক। তবে যার কাছে কিতাবাদি পড়ে আলেম হয়েছি, তাদের জন্য মাঝে মধ্যে আমরা দুআ করি। কিন্তু যার কিতাব পড়ে আলেম হয়েছি বা জেনেছি, তার জন্য কি দুআ করি?

পঞ্চাশ টাকার একটি বই পড়ে, ওয়াজ করে পঞ্চাশ হাজার টাকা উপার্জন করছি। কখনো কি সেই আনন্দে একটি টাকাও সেই মুসান্নিফের জন্য সদকা করেছি? যে যাই বলুক, আমার কাছে বিষয়টা অসৌজন্যমূলক ও অকৃজ্ঞতা মনে হয়।

তাই নুরানী থেকে বুখারি পর্যন্ত বা আরো যত মুসান্নিফগণ আছেন তাদের জন্য অবশ্যই দুআ করবেন। এটি আমাদের উপর তাদের হক। কেননা তাদের সারাজীবনের মেহনতের একেকটি রেসালা আমরা এক বছরেই পড়ার সুযোগ পাচ্ছি। তারা যদি এই মেহনত না করতেন, কী অবস্থা হত আমাদের? আল্লাহ আমাদের এই বিষয়টির উপর আমল করার তাওফিক দিন। আমিন।

লেখক- প্রিন্সিপাল, মারকাযুল মাআরিফ আল ইসলামিয়া।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ