সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ ।। ১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
উপদেষ্টা ডা. জাহেদকে দিল্লি বিমানবন্দরে বসিয়ে রাখার ঘটনায় সংসদে ক্ষোভ গতিসীমা লঙ্ঘন ঠেকাতে মহাসড়কে থাকবে বিশেষ প্রযুক্তি: সেতুমন্ত্রী হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু মহিলা মাদরাসার দায়িত্বশীলদের করণীয় নিয়ে আলোচনা সভা বুধবার সিলেটে প্রবাসী মুস্তাফিজুর রহমানের একক অর্থায়নে মসজিদে-মসজিদে আইপিএস দান প্লিজ বিয়ের পর আর বিদেশ নয় হারামাইনে আরও আধুনিক ও মানসম্পন্ন সেবা নিশ্চিতের ঘোষণা লামুর নিঃশব্দ রাত: ইতিহাস, কবর আর এক বিদায়ের পদচিহ্ন চলে গেলেন বিশ্বখ্যাত ইসলামি অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ উমর চাপরা আস-সুন্নাহ স্কিল ডেভেলপমেন্টে প্রশিক্ষক নিয়োগ, আবেদন আহ্বান

ইভ্যালির দেনা পরিশোধে বিশেষজ্ঞদের যে প্রস্তাব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালিকে কোম্পানি আইন অনুযায়ী অবসায়নের মাধ্যমে দেনা পরিশোধের প্রস্তাব করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি আয়োজিত ‘ই-কমার্স খাতের চ্যালেঞ্জ: সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট ও করণীয়’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এ প্রস্তাব করেন তারা।

ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম বলেন, আইনের অভাব নাই, নতুন আইনেরও দরকার নাই। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা যদি বাড়ানো যায় এবং সেই প্রতিষ্ঠানগুলো যদি সততার সাথে কাজ করে তাহলে এ ধরনের অনিয়ম ঠেকানো যাবে।

তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, প্রতিযোগিতা কমিশন ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) যেসব আইন আছে, তা দিয়ে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

তিনি বলেন, কোন কোন অবস্থায় প্রতিযোগিতা কমিশন পদক্ষেপ নেবে সেগুলো প্রতিযোগিতা আইনে বলা আছে। কিন্তু আমরা বিশ্লেষণ করলে দেখতে পাই, প্রতিযোগিতা কমিশনের যখন যেখানে তৎপর হওয়ার দরকার ছিল, তখন ওনারা বসেছিলেন, পদক্ষেপ নেন নাই।

তিনি বলেন, সন্দেহজনক লেনদেনের ঘটনায় গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইভ্যালির লেনদেন একমাস বন্ধ রাখা হয়েছিল। কিন্তু এরপর ওই নিষেধাজ্ঞা আর বাড়ানো হয়নি অথবা নিষেধাজ্ঞা বলবৎও রাখা হয়নি। তখন স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ মনে করল, যে বিএফআইইউ এ বিষয়টা নিয়ে গবেষণা করেছে বা পরীক্ষা করে দেখেছে তাহলে সমস্যা নেই। তখন ইভ্যালি আরও শতগুণ মনোবল বাড়িয়ে আরও ব্যাপকভাবে বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করল। শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, গত আট মাসে ই-কমার্সে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। সুতরাং সরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতার কারণেই জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তানজিব বলেন, বিএফআইইউর ঘটনার পর আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুটি সংস্থাকে ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব দিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু তারা দুই রকম প্রতিবেদন দিল। ফলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ও কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই ঘটনার বিস্তারিত তদন্তে যে রকম জ্ঞান ও দক্ষ লোকবল দরকার তা নেই। সুতরাং বিষয়টি এভাবেই ঘোলা হয়েছে। এখন জনগণের পাওনা টাকা কীভাবে পরিশোধ করবেন?

তিনি বলেন, কোম্পানি আইন অনুযায়ী ওই কোম্পানিকে অবসায়ন করে যে অর্থ পাওয়া যায় তা দিয়ে পাওনা পরিশোধ করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে যে লোকের ২০ হাজার টাকা পাওনা আছে তাকে এক হাজার টাকা দেওয়া সম্ভব হলে, তাকে ওইটা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ