সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে ওএসডি ১২ শিক্ষার্থীর জন্য ১২ শিক্ষক, তবু পাস করল না কেউ এসএসসিতে ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস না করায় উদ্বেগ মিজানুর রহমান আজহারীর জুলাই জাদুঘরে হেফাজতের ভাস্কর্য অপসারণের দাবি পীর সাহেব দেওনার তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা ঐক্যে যোগ দিতে পারে আরও যেসব দেশ এসএসসিতে রাশাদ একাডেমির সাফল্যের ধারা অব্যাহত মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে ঝগড়ায় কারাগারে গেলেন তিন জামায়াত নেতা সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুতে খেলাফত মজলিসের শোক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তুরাগ থানা কমিটি গঠন

ভারতের সমুদ্ররেখা নিয়ে বাংলাদেশের আপত্তি; জাতিসংঘে চিঠি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: সমুদ্রসীমা নির্ধারণে ভারতের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক আদালতে জয়লাভ করে বাংলাদেশ। এরপর আদালত সীমানা নির্ধারণ করে দেয়। তারপরও সমুদ্রসীমা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে ভারত। শুধু তাই নয়, দেশটি বঙ্গোপসাগরে যে উপকূলীয় ভিত্তিরেখা বা বেসলাইন ব্যবহার করেছে, এর একটি অংশ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার ভেতরে পড়েছে। এ নিয়ে জাতিসংঘে আপত্তি তুলেছে বাংলাদেশ। ১৩ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন থেকে জাতিসংঘ মহাসচিব বরাবর একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বাংলাদেশ উল্লেখ করেছে, ১৯৭৬ সালে ভারত সরকার সমুদ্রবিষয়ক টেরিটোরিয়াল ওয়াটার ও মেরিটাইম জোন আইন প্রণয়ন করে। এই আইন প্রণয়নের ৩৩ বছর পর ২০০৯ সালে ভারত ভিত্তিরেখা নির্ধারণের জন্য সেই আইনে সংশোধনী আনে। ২০০৯ সালের সংশোধনীতে ভারত ‘স্ট্রেট লাইন বেসলাইন’ পদ্ধতি ব্যবহার করছে, যেটা জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশনের ৭ নম্বর ধারার পরিপন্থী।

এর আগে বাংলাদেশের দাবি করা মহীসোপান নিয়ে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে জাতিসংঘে আপত্তি জানিয়ে চিঠি দেয় ভারত। দেশটি দাবি করে, সমুদ্রসীমা নিয়ে বাংলাদেশ যেই মহীসোপান নিজেদের বলে দাবি করছে তা ভারতের অংশ।

এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘে আপত্তি তুলে চিঠি দেয় বাংলাদেশ। সেখানে বলা হয়, ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালত যে রায় দিয়েছে, তা অনুসরণ করেই মহীসোপানের দাবি নির্ধারণ করে বাংলাদেশ। ফলে সেই রায়ের পর দুই দেশের মধ্যে সমুদ্রসীমা নিয়ে আর কোনো বিরোধ থাকতে পারে না।

২০১১ সালে নিজেদের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করে জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণ বিষয়ক কমিশনে আবেদন করে বাংলাদেশ। এরপর বাংলাদেশ ২০১৪ সালে সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারতের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক আদালতে জয়লাভ করে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ