মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি চূড়ান্ত: নিষিদ্ধ পোস্টার সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল কলম্বিয়া, বহু হতাহতের শঙ্কা ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেনের যাত্রা শুরু মকতব শিক্ষার মানোন্নয়নে দ্বীনিয়াতের ‘বিশেষ শিক্ষক ওয়ার্কশপ’ আগামী বৃহস্পতিবার জুলাই জাদুঘরে ভাস্কর্যের বিকল্পে হেফাজতের দুই প্রস্তাব পাকিস্তানে হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন ১২ লাখ রুপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে পরাজয় জেনেও প্রার্থী দেওয়া বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা: মাওলানা ইউসুফী ৯ মাসের বেতন বকেয়া, চালডালের প্রধান কার্যালয়ে কর্মীদের অবস্থান জুলাই জাদুঘর থেকে নেতাকর্মীদের ভাস্কর্য অপসারণের কড়া হুঁশিয়ারি হেফাজতের

দক্ষিণ সিটিতে ৪০ ভাগ ডেঙ্গু রোগী: মেয়র তাপস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ফজলে নূর তাপস জানিয়েছেন, ঢাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর ৪০ ভাগ ঢাকা দক্ষিণে।

বুধবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে সারাদেশে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ১১তম আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মেয়র এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে আমরা এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৫৪৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পেয়েছি। তারমধ্যে এক হাজার ৮৩২ জন (দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের)। তাতে দেখা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪০ দশমিক ৩১ ভাগ রোগী শনাক্ত করা গেছে। এছাড়া ঢাকার বাইরের অনেক রোগী পাচ্ছি।

মেয়র বলেন, আমরা ঢাকাবাসীকে এডিস মশা থেকে মুক্ত রাখার জন্য সর্বাত্মক জনবল ও শক্তি প্রয়োগ করে আমাদের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে চলেছি।

তিনি বলেন, ভিয়েতনামে গত জুলাই মাসে ৩৭ হাজার ৪২০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। শ্রীলঙ্কায় জুলাই মাসে ১০ হাজার ৩৭১ জন। ভারত এখন পর্যন্ত পরিসংখ্যান দিচ্ছে না। তাতে বুঝা যায় কত বেশি সেখানে হতে পারে। এটা হচ্ছে এশিয়ার পারিপার্শ্বিকতা।

তাপস বলেন, একটি বিষয় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়ার কারণে এই এলাকায় এডিস মশা বিস্তারের অভয়ারণ্য হয়ে থাকে। বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হলে এডিস মশা বেশি হবে। সেটাই আমরা লক্ষ্য করছি। এবার এডিস মশা অনুকূল আবহাওয়া পেয়েছে।

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে জানিয়ে ফজলে নূর তাপস বলেন, তথাপিও বলব, আমরা অত্যন্ত দুঃখিত। তারপরও ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৩৫ জন মারা গেছেন। বিশেষ করে যেটা কষ্টদায়ক সেটা হলো বাচ্চারা আক্রান্ত হচ্ছেন। আশা করি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে, অভিভাবকরা আরও সচেতন হবেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ