আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা লোপাট ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে পলাতক প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার) সংশ্লিষ্টতায় ১২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তারা সবাই এফএএস (ফাস) ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের কর্মকর্তা।
সোমবার (১৬ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে এসব ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। দুদক সূত্র জানায়, একাধিক ব্যক্তির সহযোগিতায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ও এফএএস ফাইন্যান্স থেকে অর্থ লোপাট করেন পিকে হালদার।
জানা গেছে, এফএএস ফাইন্যান্স নামক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতের রহস্য উদঘাটনে জন্য ১২ কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়- এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়াজ আহমেদ ফারুকী, দিপক কুমার চক্রবর্তী, সাবেক এসভিপি ও করপোরেট ফিন্যান্স অ্যান্ড রিকভারি এবং আইন বিভাগের প্রধান মো. জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া, প্রিন্সিপাল শাখা ব্যবস্থাপক তানভির আহমেদ কমল, আইসিসি অ্যান্ড রিকভারি হেড মো. মনির হোসেন ও সিনিয়র অফিসার মৌসুমী পাল।
এছাড়াও ম্যানেজার আহসান রাকিব, সাবেক সিনিয়র অফিসার তাসনিয়া তাহসিন রোজালিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেপুটি ম্যানেজার ও করপোরেট ফাইন্যান্স বিভাগের প্রধান মীর ইমাদুল হক, সাবেক ভিপি ও সিএফও মো. মনিরুজ্জামান আকন্দ, সাবেক এসভিপি আজিমুল হক এবং সাবেক এসইভিপি ও সিএডির প্রধান প্রাণ গৌরাঙ্গ দে।
দুদকের গণমাধ্যম শাখা জানায়, পর্যায়ক্রমে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান, পরিচালনা পর্ষদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ আরও যারা আত্মসাতে জড়িত সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আসল ঘটনা উদঘাটনে আইনগত সব ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও জানা যায়, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের এসব কর্মকর্তা অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে অপরাধমূলক কাজ করে, কোনোরূপ ঋণ আবেদন গ্রহণ না করেই যাচাই-বাছাই ছাড়াই, কোনো ধরনের মর্টগেজ গ্রহণ ছাড়া, প্রায় ২০টি কাগুজে ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানকে ভুয়া ঋণ পাইয়ে দিতে সহযোগিতা করেন।
-এএ