রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
হিন্দু-মুসলিম বিভাজনের কঠোর সমালোচনা ‘তেলাপোকা’ পার্টি প্রধানের নামাজে গিয়ে জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে দিশেহারা প্রতিবন্ধী মোশাররফ! বাজেট নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের গোলটেবিল বৈঠক সোমবার আমি গর্বিত, আমি তাঁর শাগরিদ মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, খুলনার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ ১৮০০ পৃষ্ঠার ‘ইসলামিক ইন্টেলেকচুয়াল কনসেনসাস এনসাইক্লোপিডিয়া’ প্রকাশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মার্কিনিদের উপর গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ দক্ষ ও বিশ্বস্ত কর্মী দিচ্ছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন ইসলামী যুব মজলিস সিলেট মহানগরের কমিটি পুনর্গঠন সৌদি আরব কেন্দ্রীয় কমিটির নেতার মৃত্যু, ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিবের শোক

মসজিদ রক্ষায় ভারতীয় মুসলিমদের অভিনব আট উদ্যোগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বর্তমান পরিস্থিতিতে মসজিদের জিম্মাদারদের উদ্দেশ্যে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়ে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিটি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ওয়েসাইট ও ভেরিফাই ফেসবুক পেজে প্রকাশ করে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের (একাংশ) সভাপতি মাওলানা মাহমুদ মাদানী নিজের ভেরিফাই ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘মসজিদ মুসলমানদের জন্য একটি ধর্মীয় ও দীনি নিদর্শনের অন্যতম। এটা আল্লাহর ঘর। এখানে তাঁরই এবাদত বন্দেগী করা হয়। কোনো জমিন যখন মসজিদের জন্য নির্দিষ্ট করবে, তখন সেটা নিশ্চিতভাবে মসজিদের জন্যই নির্ধারিত হয়ে যাবে। আর সেটা হবে মুসলমানদের জন্য পবিত্রতম স্থান। এর সংরক্ষণের জিম্মাদারীও মুসলমানদের একটি দীনি ও ঈমানী দায়িত্ব হিসেবে গণ্য হয়ে যায়।

আর বর্তমান পরিস্থিতিতে মসজিদ হেফাজতের জন্য খুব বেশি সতর্ক থাকা জরুরি। কেননা দেশে (ভারতে) বর্তমানে এমন অনেক ঘটনা ঘটছে, যার মাঝে সরকারি অফিসাররা মসজিদকে আইন বহির্ভূত ঘোষণা করে মসজিদকে এমন কাজে ব্যবহার করছে, যা মসজিদের সম্মানের বিপরিত।

এমন পরিস্থিতিতে আমরা যারা দূর্বল ঈমানদার, তাদের জন্য আবশ্যক হলো, মসজিদের জিম্মাদারদের সতর্ক দৃষ্টি রাখা ও নিচের বিষয়গুলোকে লক্ষ রেখে মসজিদ হেফাজতের চেষ্টা করা।

এক. মসজিদের জমিনকে মসজিদের নামে ওয়াকফ্ করে নেওয়া।
দুই. মসজিদ রাষ্ট্রীয় নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠান থেকে অনুমোদন নিয়ে নির্মাণ করা।
তিন. যদি মসজিদের ভবন নির্মাণের নকশা নিজের কাছে থাকে তাহলে যত্মসহ সংরক্ষণ করা। আর যদি না থাকে তাহলে পূর্ববর্তী মসজিদের কাগজপত্র পূর্ণ তৈরি করে রাখা।

চার. মসজিদ কমিটি মসজিদের নির্বাচিত কাগজপত্র ঠিক রাখবে।
পাঁচ. মসজিদের বাৎসরিক আয় ব্যয়ের হিসাব অডিট করে রাখবে।
ছয়. মসজিদের সম্পত্তি ওয়াকফ বোর্ডে নিবন্ধিত হতে হবে। নিবন্ধনের সময় কাগজপত্র সংশোধন করে জমা দিতে হবে। মনে রাখবেন, নিবন্ধনের সময় যেনো কোন বানান ভুল (মসজিদের নাম এবং পরিচিত) ইত্যাদি না হয়।

সাত. স্মরণ রাখা উচিত যে, মসজিদের জন্য যে জায়গা একবার নির্বাচিত হয়ে যাবে, তা আর কখনো পরিবর্তন করা সম্ভব হবে না। ওই মসজিদের জমিনকে পরিবর্তন করা মসজিদের কমিটিরও ইখতিয়ার নেই।
আট. আর যদি এমন কোন মসজিদে এমন কোনো পরিবেশের সৃষ্টি হয়, তাহলে নিজের এলাকার গ্রহণযোগ্য আলেম ও মুফতিদের সাথে পরামর্শ করে উপস্থিত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ