বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত ‘রাষ্ট্রপরিচালনার ক্ষেত্রে জনপ্রত্যাশা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার’  দাওরায়ে হাদিসের মেধাবৃত্তির অর্থ বোর্ডে পাঠিয়েছে আল-হাইআতুল উলয়া স্পিকারের সঙ্গে জার্মানির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অপরাধের ধরন বদলালেও পুলিশের আধুনিকায়ন সম্ভব হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলেম প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সন্ধ্যার মধ্যে ৪ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা মক্কায় বিমান হামলার সাইরেন: সতর্ক করলেন মুফতি তাকি উসমানি

স্বাধীনতাকামীদের নামে ভুয়ো হামলা সাজিয়ে কাশ্মিরে ২ বিজেপি নেতা গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কাশ্মিরের কুপওয়াড়ায় স্বাধীনতাকামীদের নামে ভুয়ো হামলা সাজানোর অভিযোগ ভারতের হিন্দুত্ববাদী ক্ষমতসীন দল বিজেপির দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মিথ্যে হামলা সাজানোর অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে করে পুলিশ জানিয়েছে। একইসাথে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তাদেরকেও।

কিভাবে ভুয়া হামলার ছক সাজানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল এ সম্পর্কে দু’-এক দিনের মধ্যেই বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা।

কিন্তু কেন ভুয়া হামলা সাজানোর চেষ্টা করলেন ওই বিজেপি নেতারা- এমন প্রশ্নে পুলিশ জানিয়েছে, নিজেদের নিরাপত্তা আরো খানিকটা বাড়াতেই এই পরিকল্পনা করেছিলেন তারা। প্রধান অভিযুক্ত ইসফাক আহমেদ মীর কুপওয়াড়ার আইটি সেলের প্রধান। অপরজন বশরত আহমেদ বিজেপির জেলা মুখপাত্র। তারা নিজেদের মধ্যে শলাপরামর্শ করে ওই ভুয়া হামলার ঘটনা সাজান বলে জানতে পারে পুলিশ। এরপরই তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

ইসফাকের বাবা মহম্মদ শাফি মীর কুপওয়ারায় বিজেপির জেলা সভাপতি। তার ছেলের নামে এমন অভিযোগ ওঠার পরই তাকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিজেপি। যতদিন এই ঘটনার তদন্ত চলবে ততদিন তিনি বহিষ্কারই থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে আরো বলা হয়েছে, ১৬ জুলাই ইসফাক অভিযোগ করেন, কুপওয়াড়ার গুলগামে ত্রাণ বণ্টনে গিয়ে স্বাধীনতাকামীদের হামলায় পড়তে হয়েছিল তাকে। এমনকি স্বাধীূনতাকামীদের একটি গুলি তার পায়ে লেগেছে বলেও দাবি করেন তিনি। কিন্তু এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, ওইদিন কোনো হামলাই হয়নি ওখানে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছি‌ল, ইসফাকের নিরাপত্তা কর্মকর্তার বন্দুক থেকেই দুর্ঘটনাবশত বেরিয়ে গিয়েছিল গুলি। এরপরই স্বাধীনতাকামীদের হামলা সন্দেহে অন্য নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও গুলি চালান। পরে সামনে আসে আসল সত্য। জানা যায়, ইসফাক, বশরত ও তাদের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা মিলেই ওই ভুয়া হামলা সাজিয়েছেন। অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হলে তাদের সাত দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

সূত্র: প্রতিদিনের সংবাদ

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ