বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত ‘রাষ্ট্রপরিচালনার ক্ষেত্রে জনপ্রত্যাশা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার’  দাওরায়ে হাদিসের মেধাবৃত্তির অর্থ বোর্ডে পাঠিয়েছে আল-হাইআতুল উলয়া স্পিকারের সঙ্গে জার্মানির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অপরাধের ধরন বদলালেও পুলিশের আধুনিকায়ন সম্ভব হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলেম প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সন্ধ্যার মধ্যে ৪ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

নবীজি সা.-এর কার্টুন এঁকে মুসলমানদের হৃদয়কে ক্ষতবিক্ষত করা কার্টুনিস্টের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ব্যঙ্গচিত্র এঁকে বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের হৃদয়কে ক্ষতবিক্ষত করা ড্যানিশ কার্টুনিস্ট কার্ট ওয়েস্টারগার্ড ৮৬ বছর বয়সে মারা গেছেন।

তার পরিবার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানিয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। বার্লিংস্কে পত্রিকা রোববার এই খবর জানিয়েছে।

ওয়েস্টারগার্ড ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে পত্রিকা জিলল্যান্ডস-পোস্টেনের কার্টুনিস্ট ছিলেন। তবে তিনি বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পান ২০০৫ সালে। ওই পত্রিকায় নবীর বিতর্কিত কার্টুন এঁকে মুসলমাদের হৃদয়কে ক্ষতবিক্ষত করার পর।

পত্রিকাটিতে তার প্রকাশিত ১২টি কার্টুনের মধ্যে এটি একটি ছিল।

পত্রিকার এই কার্টুনগুলোর কারণে পুরো ডেনমার্কে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে ডেনমার্ক সরকারের কাছে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের রাষ্ট্রদূতরাও অভিযোগ করেন।

এই বিক্ষোভ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। গোটা মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ।

তবে পরেও এ ধরনের কার্টুন প্রকাশ অব্যাহত থাকে। এ ধরনের কার্টুন প্রকাশ করে ফরাসী ব্যঙ্গাত্মক ম্যাগাজিন শার্লি এবদোও।

 

ওয়েস্টারগার্ডের কি অনুশোচনা ছিল?

সংবাদ সংস্থায় রয়টার্সকে ওয়েস্টারগার্ড ২০০৮ সালে বলেন, তার ব্যঙ্গাত্মক চিত্র আঁকা নিয়ে তার মধ্যে কোনো আফসোস নেই।

তিনি বলেছিলেন, কার্টুনটি ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধের সাথে পশ্চিমা দেশগুলোয় ইসলামের স্থান সম্পর্কে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ আলোচনার জায়গা তৈরি করেছে।

‘আমার মনে হয় আমি আবার একইভাবে কার্টুন আঁকবো, কারণ আমি মনে করি, এই কার্টুনের সংকট মানুষকে ইসলামী জীবনধারার প্রতি উৎসাহিত করতে কোনো না কোনো ভাবে বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে।’

‘আমরা দুটি সংস্কৃতি, দুটি ধর্ম নিয়ে আলোচনা করছি, যা আগে কখনো হয়নি এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ।’

সূত্র: বিবিসি

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ