বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

আরাফার রোযার ফজিলত!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আমিনুর রহমান হাসান।।

আল্লাহ তায়ালা বান্দার পূর্বের একবছর এবং পরের এক বছরের গোনাহ মাফ করেন আরাফার দিনের রোযার মাধ্যমে। এখন আরবি জিলহজ্ব মাস চলছে। বছরের যেকোনো সময়ই যেকোনো নেক আমল আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয়। তবে কিছু কিছু সময়ে কিছু আমলের মরতবা অন্যান্য সময়ের তুলনামূলক বেশি হয়। তেমনি এক আমল আরাফার দিনের রোযা। জিলহজ্ব মাসের নয় তারিখকে ইয়াওমু আরাফা বা আরাফা দিবস বলে।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘ইয়াওমে আরাফার রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী, তিনি এর দ্বারা আগের এক বছরের ও পরের একবছরের গোনাহ মাফ করবেন’। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং- ১১৬২)।

আরাফার এ রোযা ফরয ওয়াজিব বা মুস্তাহাব এরকম কিছু না। এ রোযা না রাখলে গোনাহ হবে না। তবে এ রোযার ফজিলত অন্যান্য নফল রোযার চেয়ে অধিক। হাজীদের জন্য আরাফার ময়দানে রোযা রাখা মুস্তাহাব নয়। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফার ময়দানে রোযাবিহীন অবস্থায় ছিলেন।

উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘আরাফার দিনের রোযার ছওয়াব এক হাজার দিন রোযা রাখার সমান’। (তারগিব)।

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে আরাফা দিবসের রোযা পালনের মাধ্যমে হাদীসে বর্ণিত ফজিলত হাসিলের তাওফিক দান করুন।

লেখক: আলেম, প্রাবন্ধিক

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ